Pratikur on Dipsita: CPIM ছেড়েই দীপ্সিতাদের 'কাজের মাসি' বলে আক্রমণ? মুখ খুললেন তৃণমূল নেতা প্রতীকুর
সিপিআইএম ছেড়েই দীপ্সিতা ধরদের (যিনি উত্তর দমদম বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী) 'কাজের মাসি' বলে আক্রমণ করেছেন? মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা প্রতীক উর রহমান। যিনি সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
দীপ্সিতা ধরদের ‘কাজের মাসি’ বলে আক্রমণ প্রতীক উর রহমান? সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল স্ক্রিনশট সম্পূর্ণ ভুয়ো বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তরুণ নেতা। যিনি বিধানসভা নির্বাচনের আবহেই সিপিআইএম ছেড়ে রাজ্যের শাসক দলে যোগ দিয়েছেন। সেই প্রতীকুর বলেছেন, ‘আমার নাম করে একটি স্ক্রিনশট ঘুরে বেড়াচ্ছে দেখলাম। সিপিআইএমের দুই মহিলা নেত্রী (যদিও একজনকে আমি দিদি আর একজনকে বন্ধু বলে মনে করি)…… যাঁদের সম্পর্কে কিছু কুরুচিকর কথা লেখা হয়েছে। কাজের মাসিদের সঙ্গে তুলনা করে, কাজের মাসিদের ছোটো করার চেষ্টা হয়েছে।’

আমার দল এরকম ধারণা পোষণ করে না, দাবি প্রতীক উরের
সেইসঙ্গে প্রতীক উর বলেছেন, ‘প্রথমত বলে রাখি আমি যে দলের কর্মী সেই দল কখনও এরকম ধারণা পোষণ করে না। কারণ আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তোমাদের শহুরে ফেসবুক-বাবুরা, যাঁদের কাজের মাসি বলো, তাঁদের জন্যই দিন-রাত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে এসেছেন (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)। সেগুলির মধ্যে অন্যতম লক্ষ্মীর ভান্ডার। যাঁরা গতর খাটিয়ে কাজ করেন, তাঁদের জন্য, তাঁদের সঙ্গে আমি কাজ করি - সেজন্য আমি গর্বিত । আমি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিরোধী। আমি রাজনীতিতে সৌজন্য এবং পারস্পরিক সম্মানে বিশ্বাসী।’
আরও পড়ুন: India Govt on Lockdown Chances: আজ থেকেই লকডাউন ভারতে? মোদীর বৈঠকের আগেই বড় ঘোষণা কেন্দ্রের
কুরুচিকর আক্রমণ করা হয় দীপ্সিতাকে
আর যে ভুয়ো স্ক্রিনশটের ভিত্তিতে প্রতীক উর সেই মন্তব্য করেছেন, তাতে দীপ্সিতাদের উদ্দেশ্যে কুরুচিকর আক্রমণ করা একটি কমেন্ট দেখা গিয়েছে। ওই কমেন্টে বলা হয়েছে, 'দিনের আলো নিভে গেলে দীপ্সিতা ধর ভোটের প্রচারে যেতে রাজি হচ্ছে না। লোকজন নাকি প্রার্থীকেই দেখতে পাচ্ছে না। যারা পাচ্ছে, তারা আঁতকে উঠে ভিরমি খেয়ে যাচ্ছে। কী একটা অবস্থা।'
সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ, দাবি প্রতীক উরের
তাতেই 'প্রতীক উর রহমান'-র নাম লেখা একটি কমেন্ট দেখা গিয়েছে। 'প্রতীক উর রহমান'-র নাম লেখা একটি কমেন্ট দেখা গিয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, 'এই কারণেই আমি কাজের মাসিদের দল ছেড়েছি।' যদিও তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, ওই স্ক্রিনশট ভুয়ো। তিনি ওরকম কোনও মন্তব্য করেননি। সেজন্য ইতিমধ্যে অভিযোগও দায়ের করেছেন। প্রতীক উরের কথায়, 'যেহেতু ওই কমেন্ট আমার নয়। আমি ইতিমধ্যেই সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ জানিয়েছি, অবিলম্বে এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশা রাখছি।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


