Pushpa vs Singham at Falta: 'সিংঘম'-র বাহিনীর সহায়তায় অবশেষে বাড়ি ফিরলেন 'পুষ্পা'। সূত্রের খবর, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর থেকে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না ফলতার প্রার্থী তথা 'পুষ্পা' জাহাঙ্গীর খানের। তারইমধ্যে তাঁর কার্যালয়ে চলে ভাঙচুর। কিন্তু তৃণমূল প্রার্থী 'নিখোঁজই' ছিলেন। শেষপর্যন্ত 'সিংঘম' অজয় পাল শর্মার বাহিনীর সহায়তায় ফলতায় ফিরে এসেছেন ‘পুষ্পা’। আসলে আগামী ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নিবার্চন হতে চলেছে। তার আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে ডায়মন্ড হারবার পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে তৃণমূল প্রার্থী যেন ফলতায় ফিরে আসতে পারেন। আর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নিবার্চনের জন্য যেন প্রচার করতে পারেন তৃণমূল প্রার্থী।
২০৮ করতে মরিয়া বিজেপি

যদিও তারপরে ২০৮ করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। সপ্তাহদেড়েক আগে ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা হয়েছে। তাতে ২০৭টি আসন পেয়েছে বিজেপি। ফলতায় জিততে পারলে আসন সংখ্যা বেড়ে ২০৮ হয়ে যাবে। আর সেজন্য কোনও খামতি রাখতে চাইছে না পদ্মশিবির। মঙ্গলবার বিধাননগরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে প্রায় দু'ঘণ্টার বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির সংগঠন সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী, তিন সাধারণ সম্পাদক (সৌমিত্র খাঁ, শশী অগ্নিহোত্রী এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো)।
মেগা বৈঠক বিজেপির, ফলতায় বিশেষ জোর
সূত্রের খবর, ওই বৈঠকের বেশিরভাগটাই ফলতার পুনর্নিবার্চন নিয়ে আলোচনা হয়। দিনভর ঠাসা কর্মসূচির পরেও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী ওই বৈঠকে উপস্থিত থেকে পুনর্নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন। কীভাবে জাহাঙ্গীরের ‘প্রাক্তন’ গড় ফলতায় লড়াই করা হবে, রণকৌশল কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার পরও একটি বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নিবার্চন নিয়ে যখন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী রণকৌশল ঠিক করতে বসছেন, তা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে ওই আসনের উপরে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিধানসভায় বিধায়কদের শপথগ্রহণ
{{/usCountry}}বিধানসভায় বিধায়কদের শপথগ্রহণ
{{/usCountry}}তারইমধ্যে আজ বিধানসভায় শপথগ্রহণ-পর্ব শুরু হচ্ছে। সূত্রের খবর, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু শপথ নিতে পারেন বিধায়ক হিসেবে। সবমিলিয়ে ১১টি জেলার নব-নির্বাচিত বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। বাকি বিধায়করা বৃহস্পতিবার শপথগ্রহণ করবেন বলে সূত্রের খবর।