রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়া মানেই যেন আলাদা একটা ব্যাপার থাকে। আর সেটার একেবারে হাতেগরম প্রমাণ মিলল উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের রেজাল্টে। শুক্রবার যে রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষার প্রথম দশে মোট ৬৯ জন আছেন। তাঁদের মধ্যে ৫৫ জনই হলেন রামকৃষ্ণ মিশনের। যা শতাংশের বিচারে ৭৯.৭১ (৮০ শতাংশ ছুঁইছুঁই)। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৫৫ জনের ৩১ জন হলেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়া। আর ২৪ জন হলেন পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের ছাত্র। জেলাভিত্তিক মেধাতালিকার নিরিখে শীর্ষে আছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। আর সেটার নেপথ্যে আছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন।

মেধাতালিকায় চূড়ান্ত আধিপত্য ২ রামকৃষ্ণ মিশনের
এমনিতে প্রতিবারেই উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়াদের ফলাফল ভালো হয়। কিন্তু এবারের মতো মেধাতালিকায় রামকৃষ্ণ মিশনের আধিপত্য শেষ কবে দেখা গিয়েছে, তা মনে করতে পারছেন না অভিজ্ঞ শিক্ষকরাও। আর কী কারণে উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের মেধাতালিকায় রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়াদের এতটা আধিপত্য আছে, সেটার একটা সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
কী কারণে এত ভালো রেজাল্ট রামকৃষ্ণ মিশনের?
সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন, এমনিতেই রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশোনার মান ভালো হয়। তাছাড়াও এবার উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের প্রশ্নপত্র করা হয়েছিল সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন পরীক্ষার (জেইই মেন, নিটের মতো পরীক্ষা) ধাঁচে। আর রামকৃষ্ণ মিশনে যেহেতু জেইই মেন, নিটের মতো সর্বভারতীয় পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে পড়ুয়াদের তৈরি করা হয়, তাই সেখানকার পড়ুয়ারা খুব ভালো ফল করেছেন।
এটা কিন্তু উচ্চমাধ্যমিকের চূড়ান্ত মেধাতালিকা নয়
{{/usCountry}}সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন, এমনিতেই রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশোনার মান ভালো হয়। তাছাড়াও এবার উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের প্রশ্নপত্র করা হয়েছিল সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন পরীক্ষার (জেইই মেন, নিটের মতো পরীক্ষা) ধাঁচে। আর রামকৃষ্ণ মিশনে যেহেতু জেইই মেন, নিটের মতো সর্বভারতীয় পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে পড়ুয়াদের তৈরি করা হয়, তাই সেখানকার পড়ুয়ারা খুব ভালো ফল করেছেন।
এটা কিন্তু উচ্চমাধ্যমিকের চূড়ান্ত মেধাতালিকা নয়
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে তিনি এটাও জানিয়েছেন, চতুর্থ সেমেস্টারের প্রশ্নপত্রের ধাঁচ আলাদা হবে। সেখানে বড় বা ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন থাকবে। ফলে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিকের চূড়ান্ত যে মেধাতালিকা হবে, সেটার হেরফের হতে পারে। উল্লেখ্য, এখন যে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেটা শুধুমাত্র তৃতীয় সেমেস্টারের। আগামী ফেব্রুয়ারিতে চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা হবে। তৃতীয় সেমেস্টার, চতুর্থ সেমেস্টার এবং প্রজেক্টের নম্বর মিলিয়ে নির্ধারণ করা হবে উচ্চমাধ্যমিকের চূড়ান্ত নম্বর। আর তখন ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিকের চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।
(বিস্তারিত পরে আসছে)