Suvendu on Annapurna Yojana: রাস্তায় গড়াগড়ি খেয়ে লাভ নেই, যোগ্যরাই অন্নপূর্ণা যোজনা পাবেন, বললেন শুভেন্দু
Suvendu on Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণা যোজনার সাফল্য তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে উপভোক্তাদের ৩,০০০ টাকা করে সরাসরি সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে।
Suvendu on Annapurna Yojana: যাঁরা যোগ্য, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন বলে আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘(অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য) আবেদন করবেন, পেয়ে যাবেন। জুনে ২৮ লাখ পেয়েছিলেন। জুলাইয়ে ১ কোটি ১৯ লাখ পেয়েছেন। অগস্টে ১ কোটি ৪৫ লাখ লোককে দিয়েছে। প্রসেস আছে। করবে। এত তাড়াহুড়োর কী আছে। যাঁরা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরা পাবেন।’

‘এই সরকার মাথা নীচু করার সরকার নয়’, সাফ কথা শুভেন্দুর
সেই রেশ ধরে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মহিলারা যে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন, তা নিয়েও মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘ধৈর্য রাখবেন, যাঁরা পাওয়ার, তাঁরা পাবেন। যাঁরা আমাদের ভোট দেননি, (তাঁরা) জীবনে দেবেন না। তাঁরা ওই রাস্তায় চিৎকার করুন আর গড়াগড়ি খান। কোনও লাভ হবে না। এই সরকার মাথা নীচু করার সরকার নয়।’
মোদীর জন্মদিনে 'অন্নপূর্ণা দিবস' পালন
আর সেই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে 'অন্নপূর্ণা দিবস' পালন করা হবে। সেদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে 'অন্নপূর্ণা দিবস' পালনের পাশাপাশি কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ওই দিন রাজ্যজুড়ে উদ্যাপনের সঙ্গে-সঙ্গে কলকাতায় অন্নপূর্ণা প্রকল্পের প্রায় এক লাখ উপভোক্তাকে নিয়ে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
মিডিয়া ট্রায়াল করে লাভ নেই, দাবি শুভেন্দুর
সেইসঙ্গে অন্নপূর্ণা প্রকল্পের সুবিধা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে নারীদের একাংশের মধ্যে যে অসন্তোষ ও বিক্ষোভের ছবি সামনে এসেছে, তাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এই বিক্ষোভ সম্পূর্ণ রাজনৈতিকভাবে পরিকল্পিত এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশ তা বাড়িয়ে দেখাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ধরনের রাজনৈতিক চাপে তিনি বা তাঁর সরকার মাথা নত করবে না।
ভবানীপুরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কয়েকজন মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে এবং টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে ড্রামা তৈরি করে কোনও লাভ হবে না। ২০ জন মানুষকে নিয়ে রিল বানিয়ে বা মিডিয়া ট্রায়াল চালিয়ে আমায় টলানো যাবে না।' তিনি আরও যোগ করেন, ‘ক্যামেরার সামনে ভাষণ দেওয়া কয়েকজন মানুষের কাছে মাথা নোয়াবার রাজনীতি আমি করি না।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


