Hindu Holiday Insult Row in Indonesia: মুসলিম-প্রধান দেশে হিন্দু ধর্মকে অপমান! জেলের ঘানি টানতে হচ্ছে সুইস পর্যটককে
Hindu Holiday Insult Row in Indonesia: মুসলিম-প্রধান দেশে হিন্দু ধর্মকে অপমান। হিন্দু ধর্মের পবিত্র দিনে অবমাননাকর মন্তব্য করেন ওই সুইস পর্যটক। সেই ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এক বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হল।
Hindu Holiday Insult Row in Indonesia: হিন্দু ধর্মকে অপমানের জন্য ইন্দোনেশিয়ায় জেল হল এক সুইস পর্যটকের। সংবাদসংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বালিতে ছুটি কাটানোর সময় হিন্দু ধর্মের পবিত্র দিন নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন সুইৎজারল্যান্ডের যুবক। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আর দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুইস দূতাবাসের তরফে ওই যুবককে কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

হিন্দুদের বিশেষ দিন নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ
আর পুরো ঘটনার মাসকয়েক আগে। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের জেরে পুলিশের কাছে অভিযোগ আসার পর মার্চে লুজিয়ান আন্দ্রিন জাগ্রগেন নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ ওঠে, বালি দ্বীপের নববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে পালিত হিন্দুদের ‘নীরবতার দিন’ বা ‘নিয়েপি’-কে হেয় করার পাশাপাশি অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। সেইসময় যে বিধিনিষেধ থাকে, তা ভঙ্গ করে ফাঁকা বিচের ভিডিয়ো পোস্ট করে কুরুচিকর শব্দ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছিল।
‘নীরবতার দিন’ বা ‘নিয়েপি’ আসলে কী?
‘নিয়েপি’ হল বালির একটি বার্ষিক উৎসব, যা 'নীরবতার দিন' হিসেবেও পরিচিত। সেইসময় মানুষ নীরবতা পালন করেন, উপবাস করেন এবং ধ্যানমগ্ন থাকেন। এই সময় পুরো দ্বীপ কার্যত অচল বা বন্ধ হয়ে যায় এবং সবাইকে ২৪ ঘণ্টা নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে হয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বালির বাসিন্দা ও পর্যটক- সকলেই এই বিধিনিষেধগুলো মেনে চলবে বলে আশা করা হয়ে থাকে।
ক্ষমা চেয়েও রেহাই পাননি সুইস পর্যটক
কিন্তু সেই বিধিনিষেধ মেনে চলেননি সুইস পর্যটক। সংবাদসংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিচারক বলেন যে ‘(ওই যুবক) যা করেছিলেন, তা বালি-বাসীদের ক্ষুব্ধ করেছে, তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত দিয়েছে এবং জনরোষ উসকে দিয়েছে।’ যদিও সুইস পর্যটক বলেন, 'আমি যা করেছি, তার জন্য গভীরভাবে অনুতপ্ত। আমি বালির মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি।' সেইসঙ্গে তিনি জানান, বিধিনিষেধগুলোর গুরুত্ব বুঝতে পারেননি। আর ওই আচার-অনুষ্ঠান বা বালি-র বাসিন্দাদের অপমান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।
তবে কারাদণ্ড থেকে রেহাই পাননি সুইস পর্যটক। আইন মোতাবেক তিনি যে অপরাধ করেছেন, সেজন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজার বিধান আছে। এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়স কম হওয়ায় এবং ভালো আচরণের জন্য তাঁর এক বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


