RG Kar Case: আরজি কর কাণ্ডে বিপাকে অভীক দে! এবার রাজ্যপাল আর এন রবি দিলেন বড় নির্দেশ
আরজিকর কাণ্ডে সেমিনার রুমে অভীক দের ঘোরাঘুরি নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে থ্রেট কালচার, মর্গে দুর্নীতি, চিকিৎসকদের বদলির ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
আরজি কর ফাইলস ইতিমধ্যেই খুলে গিয়েছে। পর পর পদক্ষেপও শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার এই আরজি কর কাণ্ডে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন রেডিওলজিস্ট অভীক দে বড় বিপাকে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল আরএন রবি।

এই অভীক দের বিরুদ্ধে আরজিকর কাণ্ড ঘিরে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আরজিকর কাণ্ডে সেমিনার রুমে তাঁর ঘোরাঘুরি নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে থ্রেট কালচার, মর্গে দুর্নীতি, চিকিৎসকদের বদলির ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পাশাপশি দু’বছর ধরে নিয়মিত ক্লাস না করা, হাজিরা না দেওয়া, রিপোর্ট জমা না দেওয়া, রোগী না দেখার মতো অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে ছিল। অভয়ার ঘটনা ঘিরে নির্দিষ্ট সেমিনার রুমে তাঁর ঘোরাঘুরি নিয়ে অভিযোগ ছিল। সেই অভীক দের বিরুদ্ধেই এবার রাজ্যপাল দিলেন বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ। প্রসঙ্গত, অভীক এসএসকেএম হাসপাতালের জেনারেল সার্জারি বিভাগে প্রথম বর্ষের ইন-সার্ভিস পিজিটি ছিলেন। এতদিন তাঁকে সাসপেনশনে রাখা হয়েছিল। অভীক দে কীভাবে সার্ভিস কোটায় এসএসকেএমে স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ পেয়েছেন, তা-ও তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁ বলছেন, ‘এই অভীক দে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে থ্রেট কালচারের জনক। এদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত।’ উল্লেখ্য, সদ্য আরজিকর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আরজি কর-এ মহিলা চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণ মামলায় নতুন করে সিট গঠন করে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে তিন শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে দেয় রাজ্য সরকার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আইপিএস বিনীত গোয়েল, আইপিএস ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং আইপিএস অভিষেক গুপ্তাকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


