RG Kar Protester to Abhishek Banerjee: 'চিকিৎসার দরকার হলে বলবেন, বিনা পয়সায়….', অভিষেককে খোঁচা RG কর আন্দোলনের ‘মুখ’-র
RG Kar Protester to Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং ঘটনার অন্যতম ‘মুখ’। চরম কটাক্ষ করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।
RG Kar Protester to Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ভরতি নেওয়া হয়নি। বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে তাঁর মাথায় মারা হয়েছে। আর সেই আবহে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক এবং কল্যাণকে কটাক্ষ করলেন আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম ‘মুখ’ আসফাকুল্লা নাইয়া। কটাক্ষ করে তিনি বলেন যে প্রয়োজন হলে বিনামূল্যে তাঁদের ‘চিকিৎসা’ করে দেবেন।

প্রেসক্রিপশন ও ডিগ্রি পেয়ে যাবেন, কটাক্ষ আসফাকুল্লার
আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম ‘মুখ’ আসফাকুল্লা বলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণবাবুদের (কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়) চিকিৎসার দরকার হলে আমায় বলতে পারেন।বিনা পয়সার ক্যাম্প করার জন্য বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে প্রেসক্রিপশন আর ডিগ্রির খোঁজ করছিলেন - একসঙ্গে দুটোই পেয়ে যাবেন। ৮,০০০-র বেশি রোগীকে ফ্রি (বিনামূল্যে) চিকিৎসা করার অভিজ্ঞতা আছে।’
'আসফাকুল্লার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছিল মমতা সরকার', ওঠে অভিযোগ
এমনিতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং ঘটনার পরে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তাতে অন্যতম প্রতিবাদী 'মুখ' ছিলেন আসকাফুল্লা। যে আন্দোলনের জেরে চরম অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
সেই পরিস্থিতিতে আসফাকুল্লা-সহ আন্দোলনে যোগ দেওয়া জুনিয়র ডাক্তারদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছিল মমতা সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁরা অভিযোগ করেছিলেন যে কখনও বাড়িতে পুলিশ যাচ্ছে, কখনও আবার নিয়মের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছা করে তাঁদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিং দিচ্ছে না মমতা সরকার।
আসফাকুল্লার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল মমতার সরকার
গত বছর জানুয়ারিতে কাকদ্বীপে আসফাকুল্লার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিল মমতা সরকারের পুলিশ। অভিযোগ করা হয়েছিল যে স্পেশালিস্ট চিকিৎসক নন আসফাকুল্লা। তারপরও স্পেশালিস্ট পরিচয় দিয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন বলে অভিযোগ তোলা হয় রাজ্যের তরফে। পুলিশের তরফে নোটিশও পাঠানো হয়েছিল মমতার আমলে। বিষয়টি নিয়ে আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন আসফাকুল্লা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


