Riju Dutta on Abhishek Banerjee attack: নিজের মুখের ভাষার জন্যই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে - এমনই মনে করছেন ঋজু দত্ত। সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে যে মারধরের ঘটনা, ডিম-হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার প্রেক্ষিতে ঋজু দাবি করেছেন যে ভোটের প্রচারের সময় যেরকম ভাষা ব্যবহার করেছিলেন অভিষেক, তা ভালোভাবে নেননি সাধারণ মানুষ। ভাষা-সন্ত্রাসের বিষয়টি ভালো চোখে দেখেননি বলে দাবি করেছেন ঋজু। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, অভিষেকের উপরে হামলার ঘটনাকে যে এখন ‘জনরোষ’ বলা হচ্ছে, তা তৎকালীন বিজেপি সভাপতি জে পি নড্ডা, বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপরে হামলার সময় বলেছিল তৃণমূল।
অভিষেকের মুখের ভাষার সমালোচনায় ঋজু

অভিষেককে হেনস্থার ঘটনার নিন্দা করে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত নেতা দাবি করেন, ‘এরকম হামলা কোনও সভ্য সমাজে হতে পারে না এবং এর সমর্থনও কেউ করতে পারেন না। এটা হয় না। কিন্তু তার সঙ্গে এটাও বলতে হবে যে ভোট চলাকালীন যে মন্তব্য রাখা হয়েছিল, যে ভাষা-সন্ত্রাস হয়েছিল, চার তারিখের পরে ডিজে বাজবে, বিরোধীদের জন্য একটা চুল্লি তৈরি করা হবে। দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা - (এই বিষয়গুলিকে) কোনও মানুষ ভালো চোখে দেখেননি। অনেকগুলো কারণ মিলিয়ে বাংলাজুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে মানুষের একটা চূড়ান্ত রাগ, চূড়ান্ত ক্ষোভ জন্মেছে।’
মৃত্যুও হতে পারত অভিষেকের, দাবি ঋজুর
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে। আপনারা সবাই সেই ভিডিয়োটা দেখেছেন, যেখানে হলুদ টি-শার্ট পরা একটা ছেলে যে ইট ছুড়েছিল, যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হেলমেট না পরে থাকতেন বা হেলমেটের ফাঁক দিয়ে যদি (ইটটা) ঢুকে যেত, তাহলে চোখটা তো যেতই। মৃত্যুও হতে পারত।’
{{/usCountry}}পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে। আপনারা সবাই সেই ভিডিয়োটা দেখেছেন, যেখানে হলুদ টি-শার্ট পরা একটা ছেলে যে ইট ছুড়েছিল, যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হেলমেট না পরে থাকতেন বা হেলমেটের ফাঁক দিয়ে যদি (ইটটা) ঢুকে যেত, তাহলে চোখটা তো যেতই। মৃত্যুও হতে পারত।’
{{/usCountry}}'তৃণমূলের ১,০০০-১,৫০০ লাশ পড়ে যেত'
সেই রেশ ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন ঋজু। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল যদি ক্ষমতায় আসত, তাহলে এতদিনে বিজেপির '১,০০০ লাশ পড়ে যেত'। আর ‘কঠোরভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেটা যদি অক্ষরে-অক্ষরে শুভেন্দু অধিকারী এবং শমীক ভট্টাচার্য পালন না করতেন, তাঁরা যদি বদলার পথে হাঁটতেন, তাহলে এতদিনে তৃণমূল কংগ্রেসেরও ১,০০০-১,৫০০ লাশ পড়ে যেত।’