...
...
Next Story

Ritabrata on Mamata: ‘যদি না দিদি লাথি মেরে সরিয়ে দেন….’, 'আসল তৃণমূলে' মমতাকে 'পদ' দিচ্ছেন ঋতব্রতরা

Ritabrata on Mamata: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধান পরামর্শদাতা হওয়ার প্রস্তাব দিতে চলেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। চাবিও দেওয়া হয়েছে ঘরের।

Published on: Jun 03, 2026 05:59 PM IST
Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের শিবিরের প্রধান পরামর্শদাতা হওয়ার প্রস্তাব দিতে চলেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পরে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক দাবি করেন, তৃণমূলের ৬০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে ইতিমধ্যে ৫৮ জন তাঁদের সঙ্গে আছেন। আরও দু'জনের সমর্থন রয়েছে তাঁদের সঙ্গে। অর্থাৎ ৬০ জন বিধায়ক একইসুরে কথা বলছেন। তাঁরাই বিধানসভায় বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন বলে দাবি করেছেন ঋতব্রত। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন,পরিষদীয় দলের প্রধান পরামর্শদাতা হওয়ার জন্য মমতাকে আর্জি জানানো হবে। তবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের পরিষদীয় দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন ঋতব্রত।

'যদি না দিদি মেরে সরিয়ে দেন…..', বিস্ফোরক ‘নব্য তৃণমূলের’ বিধায়কের

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)

আর ঋতব্রতের সাংবাদিক বৈঠকের ঠিক আগেই ‘নব্য তৃণমূলের’ অন্যতম এক বিধায়ক বলেন, ‘আমাদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি। ভয়ে বলতে পারিনি। বললেই আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হত।' সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমরা দিদির সৈনিক ছিলাম, দিদির সৈনিক আছি, দিদির সৈনিক থাকব, যদি না দিদি লাথি মেরে সরিয়ে দেন।’

আরও পড়ুন: TMC Death Certificate: তৃণমূলের ‘ডেথ সার্টিফিকেট’ লিখে দিলেন ডাক্তার, বললেন ‘এপাং, ওপাং, ঝপাংয়ে মৃত্যু’

কারা কারা সই করেছেন ঋতব্রতদের চিঠিতে?

সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, প্রাক্তন মন্ত্রী জাভেদ খান, অরূপ রায়, গুলশান মল্লিক, শিউলি সাহা, প্রাক্তন মন্ত্রী নিয়ামত শেখ, কাজল শেখ, গোলাম রব্বানির মতো বিধায়করা। যাঁরা বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতের নাম বেছে নিয়েছেন। মুখ্যসচেতক হিসেবে আখরুজ্জামানের নাম দেওয়া হয়েছে। উপ-দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সন্দীপন সাহা, শিউলি সাহা, জাভেদ খান এবং সাবিনা ইয়াসমিনের নাম। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই চিঠিতে 'সভানেত্রী' হিসেবে মমতার নামই উল্লেখ করা হয়েছে।

১) ঋতব্রত: অষ্টাদশ বিধানসভার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সম্পর্ক নেই।

২) ঋতব্রত: আমরা দায়িত্বশীল বিরোধীর ভূমিকা পালন করব।

৩) ঋতব্রত: বাংলার মানুষের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই অভিষেকের। যদি সম্পর্ক থাকত, তাহলে ২৬ দিন লুকিয়ে থাকতেন না। তারপর চোরেদের মতো মার খেতেন না।

৪) ঋতব্রত: অভিষেকের নেতৃত্বে সং আছে, গঠন নেই।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe