Bengal Deep Sea Port Latest Update: বাংলায় গভীর সমুদ্র বন্দরের বড় কাজ শেষ হতে পারে ২০২৬ সালেই! মুখিয়ে আদানি, JSW-রা
Bengal Deep Sea Port Latest Update: পূর্ব মেদিনীপুরে দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করা হবে। আর সেজন্য ২০২৬ সালেই বড় কাজ শেষ করা হতে পারে। যে প্রকল্পের কাজের দায়িত্ব পেতে মুখিয়ে আছে আদানি, JSW-র মতো সংস্থা।
Bengal Deep Sea Port Latest Update: দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্র বন্দরের ডিপিআর তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হল রাইটসকে। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেকের পুরো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। তারপরই গভীর সমুদ্র বন্ধরের জন্য ডিটেলড প্রজেক্ট রিপোর্ট বা ডিপিআর তৈরির কাজ শুরু করবে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। যেহেতু গভীর সমুদ্র বন্দরের মতো মেগা প্রকল্পের জন্য কাজ করা হবে, তাই খতিয়ে দেখা হবে যাবতীয় বিষয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিস্থিতিতে কীরকম অবস্থা হবে, তা সমীক্ষা করে দেখা হবে। সেজন্য ডিপিআর তৈরি করতে মোটামুটি মাসছয়েক মতো লাগবে বলে সূত্রের খবর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হয়ে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল।

গভীর সমুদ্র বন্দরে আগ্রহী আদানি, JSW-র মতো সংস্থা
আর ডিপিআর তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পরেই টেন্ডার ডাকা হবে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈররি বিষয়ে জেএসডব্লিউ ইনফ্রাস্ট্রাকচার, আদানি পোর্ট অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেড, ডিপি ওয়ার্ল্ডের মতো সংস্থা আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
তাজপুর থেকে দাদনপাত্রবাড়ে সরেছে গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্প
আদানি গোষ্ঠী তো তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজে যুক্ত ছিল। কিন্তু সেই প্রকল্প ভেস্তে গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে। পরবর্তীতে রাজ্যে পালাবদলের পরে তাজপুরের জায়গায় পূর্ব মেদিনীপুরেরই দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাজপুর থেকে মেরেকেটে ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই জায়গায় রাজ্যের হাতে ১,৭০০ একরের মতো জমি আছে। সেখানেই মেগা প্রকল্প গড়ে তুলতে চাইছে রাজ্য সরকার।
টাটার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে রাজ্য সরকার
সেই প্রকল্পের মধ্যেই শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের জন্য টাটা গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। জোর দেওয়া হচ্ছে টাটার বিনিয়োগের উপরে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা টাটার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছি, যাতে ওদের এখানে আনা যায়। রাজ্যে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, এমন অনেক সংস্থার সঙ্গেই আমরা যোগাযোগ রেখে চলেছি।’
আরও পড়ুন: Success Story: মা বেচতেন সবজি, বাবা দিনমজুর, সেই ছেলেরই টানা ৩ বার UPSC-তে বাজিমাত, হলেন IPS
সেইসঙ্গে সিঙ্গুরে শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্ত্রী জানিয়েছেন, শিল্পায়নের জন্য রাজ্য সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে। করা হচ্ছে আলোচনা। কথা চলছে কৃষকদের সঙ্গে। কিন্তু সিঙ্গুরে অনেক সমস্যাও আছে। সেইসব সমস্যা কাটিয়েই সিঙ্গুরে শিল্প আনার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেছেন শিল্পমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


