...
...
Next Story

Howrah and Bally Developement Projects: ৪,৭০০ কোটি টাকার কাজ হবে হাওড়া ও বালিতে! জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি, কবে শেষ হবে?

Howrah and Bally Developement Projects: ৪,৭০০ কোটি টাকার কাজ হবে হাওড়া ও বালিতে! জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন হাওড়া এবং বালির শহর। এবারও বর্ষার সময় জলযন্ত্রণায় ভুগছেন তাঁরা। এবার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হল।

Published on: Sep 3, 2026, 16:55:15 IST
Advertisement

Howrah and Bally Developement Projects: হাওড়াকে জলযন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি দিতে ৪,৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সূত্রের খবর, যাতে জল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, সেজন্য হাওড়া এবং বালিতে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। ঢেলে সাজাতে হবে পুর-পরিকাঠামো। সেজন্য দু'দফায় কাজ করা হবে। প্রথম দফায় সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে কাজ। তখন ৪৭০ কোটি টাকার মতো খরচ করা হবে। তারপর বাকি কাজ শুরু হবে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে। যা ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে সূত্রের খবর।

প্রথম দফায় কী কী কাজ করা হবে হাওড়া ও বালিতে?

জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে ৪,৭০০ কোটি টাকার কাজ হবে হাওড়া ও বালিতে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Nano Banana দিয়ে তৈরি)
জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে ৪,৭০০ কোটি টাকার কাজ হবে হাওড়া ও বালিতে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Nano Banana দিয়ে তৈরি)

হাওড়া পুরনিগম সূত্রে খবর, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রথম দফার যে কাজ শুরু করা হবে, সেটার জন্য ইতিমধ্যে যৌথভাবে খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করেছেন পুরনিগম কর্তৃপক্ষ এবং হাওড়া ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্টের ইঞ্জিনিয়াররা। আপাতত ঠিক হয়েছে যে প্রথম দফায় রাস্তার গর্ত ভরাট, রাস্তা সারাই করা, নীচু এলাকায় রাস্তা উঁচু করা, ড্রেন পরিষ্কারের মতো কাজ করা হবে। অর্থাৎ পুজোর আগেই প্রাথমিক এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: Nandigram Train and Haldia Bridge: নন্দীগ্রাম-দেশপ্রাণ ট্রেন চলবে ৭ মাসের মধ্যেই! হলদিয়া ব্রিজ তৈরি নিয়েও হল ঘোষণা

দ্বিতীয় দফায় কী কী কাজ করা হবে?

তারপর নয়া বছরের শুরু থেকে বড় দীর্ঘমেয়াদী কাজে দেওয়া হবে। পুরনিগম সূত্রে খবর, সেইসময় হাওড়া এবং বালির মানুষকে জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যে স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন, সেই কাজ করবে রাজ্য সরকার। চওড়া করা হবে রাস্তা। নিকাশি ব্যবস্থা আরও ভালো করা হবে। গড়ে তোলা হবে আধুনিক নিকাশি ব্যবস্থা। হাওড়ার জল যাতে একাধিক সংশোধনগারের মাধ্যমে হুগলি নদীতে চলে যায়, সেই পদক্ষেপও করা হবে বলে সূত্রের খবর।

আর দ্বিতীয় দফার সেই কাজের জন্য শিবপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (IIEST) বিশেষজ্ঞদেরও সাহায্য নেওয়া হবে। হাওড়া পুরনিগম সূত্রে খবর, IIEST বিশেষজ্ঞদের থেকে পরামর্শ নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করবে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (KMDA) ইঞ্জিনিয়ারিরা। আর ভিত্তিতেই কাজ করা হবে বলে সূত্রের খবর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe