Goghat News: জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার গোঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা পশ্চিমপাড়া অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি ফরিদ খানের বাড়ি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে তিনটি হাত কামান উদ্ধার করেছে গোঘাট থানার পুলিশ। ঝোপের মধ্যে রাখা ছিল এই হাত কামানগুলি।
Goghat News: তোলাবাজি, কাটমানি, হুমকি, দাদাগিরি এবং মারধরের অভিযোগে জেলায় জেলায় গ্রেফতারি অব্যাহত। ধৃতদের অধিকাংশই তৃণমূল কংগ্রেসের। এই আবহে গোঘাটে তৃণমূল নেতার বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে তিনটি হাত কামান উদ্ধারে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়েছে বারুদ ভর্তি বস্তাও। বিজেপির অভিযোগ, এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করার জন্য এসব মজুত করেছিল তৃণমূল। ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধে নিয়মিত এই ধরনের হাত কামান বা মর্টার ব্যবহার করত হামাস। সেই কায়দায় এবার বাংলায় সন্ত্রাস তৈরির ছক কষা হচ্ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই হাত কামানগুলি কীভাবে তৈরি করা হল? কে তৈরি করল তা-ও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোঘাটের পশ্চিমপাড়া পঞ্চায়েতের ঝরিয়ায়।
TMC নেতার বাড়ির কাছে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার গোঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা পশ্চিমপাড়া অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি ফরিদ খানের বাড়ি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে তিনটি হাত কামান উদ্ধার করেছে গোঘাট থানার পুলিশ। ঝোপের মধ্যে রাখা ছিল এই হাত কামানগুলি। পাশাপাশি ঝোপের পাশেই মাটি খুঁড়ে বারুদ ভর্তি বস্তা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অস্ত্র ও বারুদ উদ্ধারের খবর পেয়েই এলাকার মানুষ সেখানে ভিড় করতে শুরু করেন। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে ব্যাপক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করার জন্যই তৃণমূল এই সব অস্ত্রসস্ত্র মজুত করে রেখেছে। ভোটের ফল অন্যরকম হলে এই সব অস্ত্র এতদিনে বেরিয়ে যেত। এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা ফরিদ খানের বিরুদ্ধেও রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ফরিদ ও তাঁর ভাই মিলে গত ১৫ বছর ধরে এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি, লুঠতরাজ চালিয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও এবিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে তৃণমূল। উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রথম থেকেই দলের নেতা কর্মীদের শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যরা। কিন্তু দিকে দিকে বিজেপি কর্মীদেরই আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসছে। এই আবহে তৃণমূল নেতার বাড়ির পাশ থেকে হাত কামান উদ্ধারের ঘটনায় ফের একবার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।