...
...
Next Story

Tata in Singur: 'সিঙ্গুরেই টাটাকে ফেরাতে চাই', 'প্রায়শ্চিত্ত' করে বিনিয়োগ টানার বার্তা শমীকের

Tata in Singur: 'সিঙ্গুরেই টাটাকে ফেরাতে চাই', 'প্রায়শ্চিত্ত' করে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ টানার বার্তা দিলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানালেন, কাটমানি, সিন্ডিকেটের দাপট শেষ করে দিতে চান বাংলায়।

Published on: May 29, 2026 09:57 PM IST
Advertisement

সিঙ্গুর—বাংলার রাজনীতি আর অর্থনীতির ইতিহাসের এক অতি পরিচিত নাম। প্রায় দুই দশক আগে যে সিঙ্গুর থেকে টাটা মোটরসের বিদায় রাজ্যের গায়ে ‘শিল্প-বিরোধী’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল, ঠিক সেই সিঙ্গুরকেই এবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রধান হাতিয়ার করতে চলেছে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। এবার সিঙ্গুরেই টাটা গোষ্ঠীকে ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগকারীদের কাছে এক শক্তিশালী বার্তা দিতে চায় প্রশাসন। শুক্রবার সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজ্যের সদ্য নির্বাচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল বাংলায় পুনরায় শিল্পবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং সিঙ্গুরকে তার হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করা।

ভুল বার্তা সংশোধনের ডাক

পশ্চিমবঙ্গে টাটাকে আনতে মরিয়া বিজেপি, বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)
পশ্চিমবঙ্গে টাটাকে আনতে মরিয়া বিজেপি, বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)

২০০৮ সালে সিঙ্গুরে টাটার ন্যানো গাড়ি প্রকল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তীব্র জমি আন্দোলন তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের পতনের ভিত তৈরি করেছিল। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এলেও, টাটার বিদায় বাংলার শিল্প ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে শমীক বলেন, ‘আমরা চাই টাটারা ফিরে আসুক এবং সেটা সিঙ্গুরেই হোক। আমরা গোটা দেশ তথা বিশ্বের কাছে বার্তা দিতে চাই যে পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ-বান্ধব এবং এখানে বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: WB 5th Pay Commission DA Arrear: বকেয়া DA-র আংশিক টাকা ঢুকল অ্যাকাউন্টে! ‘সারপ্রাইজ’ রাজ্যের, কতদিনের? কারা পেলেন?

কাটমানি, সিন্ডিকেটের দাপট কাটাতে যান শমীক

তিনি আরও যোগ করেন, টাটার বিদায় এবং তৈরি হয়ে যাওয়া পরিকাঠামো ভেঙে ফেলার দৃশ্য ভারতের কর্পোরেট মহলে অত্যন্ত নেতিবাচক বার্তা দিয়েছিল। পরবর্তীকালে 'কাটমানি' দাপট, সিন্ডিকেট রাজ এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। নতুন সরকার দ্রুত এই নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তন করতে বদ্ধপরিকর।

সেই রেশ ধরে তাঁকে প্রশ্ন করা হয় যে টাটাকে সিঙ্গুরে আনলে সেটা কি 'প্রায়শ্চিত্ত' করা হবে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘আমরা চাই, টাটারা যে কোনও রূপে সিঙ্গুর বা বাংলায় ফিরে আসুক, তা অটোমোবাইল হোক বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে হোক। ওরা আমাদের দেশের অন্যতম প্রাচীন, শ্রদ্ধেয় এবং বিশ্বস্ত একটি গোষ্ঠী।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe