Sankrail Industrial Project: আমূল, স্কুটারের পরে সাঁকরাইলে আসছে ১২০০ কোটি টাকার লগ্নি, বাংলা তৈরি করবে ওয়াগনও
Sankrail Industrial Project: সাঁকরাইলে শিল্পের জোয়ার। আমূল এবং ই-স্কুটারের বড় অঙ্কের বিনিয়োগের পরে হাওড়ার সাঁকরাইলে আসছে আরও ১,২০০ কোটি টাকার লগ্নি। সেইসঙ্গে ওই সংস্থাই ৫০০ কোটি ওয়াগন তৈরির কারখানা গড়ে তুলবে। সেটার স্থান চূড়ান্ত হয়নি।
Sankrail Industrial Project: পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পরে যেন নবজাগরণ হল হাওড়ার সাঁকরাইলের। আমূলের কারখানা, ই-স্কুটার কারখানার পরে সাঁকরাইলে এবার ‘লজিস্টিক অ্যান্ড ওয়্যার হাউজিং পার্ক’ চালু করতে চলেছে অ্যাডভেন্টজ গ্রুপ। সূত্রের খবর, ওই পার্কের জন্য ১,২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। সেইসঙ্গে আরও ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ওয়াগন ট্যাঙ্কার প্রকল্পের জন্য। চেক প্রজাতন্ত্রের একটি সংস্থার (সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ইউরোপের তৃতীয় বৃহত্তম সংস্থা) সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করবে অ্যাডভেন্টজ গ্রুপ। অর্থাৎ মোট ১,৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে ওই সংস্থা।

১,৭০০ কোটি টাকা লগ্নির পরে নজর আরও অন্যদিকে
অ্যাডভেন্টজ গ্রুপ সূত্রে খবর, সাঁকরাইলে তাদের হাতেই ১০০ একরের মতো জমি আছে। সেখানেই ‘লজিস্টিক অ্যান্ড ওয়্যার হাউজিং পার্ক’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আবার বিশেষ ওয়্যাগন ট্যাঙ্কার (তরল বা গ্যাস বহনকারী ট্যাঙ্কার) তৈরির জন্য একটি কারখানা গড়ে তোলা হবে। সেজন্য বরাদ্দ করা হচ্ছে ৫০০ কোটি টাকা। তাছাড়াও কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে আবাসন প্রকল্প ও শপিং মল প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়েও ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে বলে অ্যাডভেন্টজ গ্রুপ সূত্রের খবর।
‘পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের নতুন মাইলফলক’
আর প্রাথমিকভাবে ১,৭০০ কোটি টাকার মেগা লগ্নি নিয়ে রাজ্য বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, ‘পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের নতুন মাইলফলক! ১৭০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে অ্যাডভেন্টজ গ্রুপের আগমন প্রমাণ করে, পশ্চিমবঙ্গ আজ বড় শিল্প ও নতুন সম্ভাবনার অন্যতম গন্তব্য হয়ে উঠছে। এই বিনিয়োগের ফলে উৎপাদন শিল্প আরও শক্তিশালী হবে, শিল্পের প্রসার ঘটবে এবং হাজার-হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। যুবসমাজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’
শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গের নয়া শিল্পনীতি
পুরো বিষয়টি এমন একটা সময় সামনে এসেছে, যখন পশ্চিমবঙ্গে নয়া শিল্পনীতির ঘোষণা করা হবে। ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন যে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ১৫ অগস্টের আগেই শিল্পনীতির ঘোষণা করে দেবে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ‘কালো অধ্যায়’ পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের জোয়ার আসবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


