Chandrayaan Mission Celebration: আগামী প্রজন্মের বিজ্ঞানীদেরও তৈরি করছে চন্দ্রযান মিশন! কলকাতায় পালন বর্ষপূর্তি
Chandrayaan Mission Celebration: কলকাতার সায়েন্স সিটিতে ‘আমাদের মহাবিশ্ব’ শীর্ষক আলোচনাসভার আয়োজন করা হল। ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে ২০১৯ সালের ২২ জুলাই এক চিরস্মরণীয় দিন।
Chandrayaan Mission Celebration: ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে ২০১৯ সালের ২২ জুলাই এক চিরস্মরণীয় দিন। এই বিশেষ দিনেই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো উৎক্ষেপণ করেছিল চন্দ্রযান-২ মিশন। ২০২৬ সালের ২২ জুলাই ভারতের এই যুগান্তকারী চন্দ্র অভিযানের সপ্তম বর্ষপূর্তি পালিত হল। এই বিশেষ দিনটকে স্মরণীয় করে রাখতে কলকাতার সায়েন্স সিটিতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘আমাদের মহাবিশ্ব’ শীর্ষক সেই আলোচনা সভায় ছিলেন আইসার কলকাতার প্রাক্তন অধ্যাপক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগ দেয় প্রায় ৩০০ পড়ুয়া।

'মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত আমাদের কল্পনাকে চ্যালেঞ্জ করে'
নারায়ণবাবু বলেন, 'আমাদের এই মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত মানুষের কল্পনাশক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানায় এবং মানুষের জ্ঞানের সীমানাকে আরও প্রসারিত করে। মহাবিশ্ব একটি গতিশীল ব্যবস্থা- এর গঠন এবং আয়তন সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে নিরন্তর পরিবর্তিত ও প্রসারিত হয়ে চলেছে। মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বোঝার জন্য বিগ ব্যাং মডেলই বর্তমানে সর্বজনগ্রাহ্য বৈজ্ঞানিক কাঠামো প্রদান করে। এর ওপর ভিত্তি করেই বিজ্ঞানীরা নানা পূর্বাভাস তৈরি করেন, যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব হয়।'
তিনি আরও বলেন, ‘মহাজাগতিক স্তরে মহাবিশ্বের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে বোঝার মূল চাবিকাঠি হলো মহাবিশ্ববিদ্যা বা কসমোলজি। চন্দ্রযান-২-এর মতো ল্যান্ডমার্ক মিশন প্রমাণ করে যে বৈজ্ঞানিক কৌতুহল, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং অদম্য অধ্যাবসায় কীভাবে নতুন প্রজন্মকে অজানা জগত অন্বেষণ করতে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং বিজ্ঞানের সামগ্রিক অগ্রগতিতে অবদান রাখতে উৎসাহিত করে।’
তরুণ মননে অনুসন্ধানের ইচ্ছা জাগানোই লক্ষ্য
সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে সায়েন্স সিটির অধিকর্তা প্রমোদ গ্রোভার বলেন, ‘চন্দ্রযান-২ হল বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও উদ্ভাবনের প্রতি ভারতের দৃঢ় অঙ্গীকারের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। এই স্মারক বক্তৃতার মাধ্যমে সায়েন্স সিটির মূল লক্ষ্য ছিল তরুণ প্রজন্মের মননে অনুসন্ধানের ইচ্ছা জাগিয়ে তোলা এবং তাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণার দিকে চালিত করা। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজজুড়ে বৈজ্ঞানিক মনস্কতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং দেশের বিজ্ঞান ও মহাকাশ ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করে তোলে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


