...
...
Next Story

Suvendu on Jadavpur University: যাদবপুরে জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করবই! হুংকার শুভেন্দুর

Suvendu on Jadavpur University: 'বন্দে মাতরম বলতে দেয় না, জাতীয় পতাকা ওঠে না', যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Published on: Aug 22, 2026, 19:06:15 IST
Advertisement

Suvendu on Jadavpur University: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেছেন, যাদবপুর বন্দে মাতরম বলতে দেওয়া হয় না। তোলা হয় না জাতীয় পতাকা। পালন করা হয় না ভারতের স্বাধীনতা দিবস (১৫ অগস্ট) বা প্রজাতন্ত্র দিবস (২৬ জানুয়ারি)। কিন্তু বিজেপি সরকারের আমলে সেই ছবিটা পালটে যাবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেছেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত তাঁর সরকার। আর সেই সরকার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এবং বাইরে জাতীয়তাবাদকে প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়বে।

যাদবপুর নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘একটা মিডিয়া দেখছি, যাদবপুর নিয়ে কেঁদে ভাসিয়ে দিচ্ছে। যাদবপুরে জানেন বন্দে মাতরম বলতে দেওয়া হয় না। যাদবপুরে জানেন জাতীয় পতাকা ওঠে না। যাদবপুরে জানেন শিক্ষা দফতরকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। যাদবপুরে জানেন সিসিটিভি লাগাতে দেওয়া হয় না।’

আরও পড়ুন: ABVP vs Left at Jadavpur University: ‘দেশদ্রোহী’ বনাম ‘টেররিস্ট’- এবিভিপি ও বাম সংঘাতে উত্তাল JU, ভাঙল প্রতীকের একাংশ

যাদবপুরের ‘টুকরে-টুকরে গ্যাং ও জেহাদি’-দের নিশানা শুভেন্দুর

সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘যাদবপুরে একশ্রেণির টুকরে-টুকরে গ্যাং, একশ্রেণির জেহাদি - যারা রাষ্ট্রবিরোধী, যারা ২৬ জানুয়ারি, ১৫ অগস্ট পালন করে না, বন্দে মাতরম গাইতে দেয় না - তাদের পক্ষ নিয়ে ওই মিডিয়া গ্রুপ যতই লিখুক না কেন, আমরা যাদবপুরের ভিতরে এবং বাইরে জাতীয়তাবাদকে প্রতিষ্ঠা করবই।’

আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন শনিবার কলকাতায় অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মঞ্চ থেকে। গত বুধবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবিভিপি এবং এসএফআই। তা নিয়ে উত্তাল হয় যাদবপুর চত্বর। বৃহস্পতিবার দু'পক্ষের তরফে মিছিল করা হয়। গেটের বাইরে চলে আসেন এবিভিপির সমর্থকরা। আর ভিতরে বাম সংগঠনের সমর্থকরা ছিলেন। দু'পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। তারইমধ্যে চার নম্বর গেটের বাইরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের যে লোহার প্রতীক আছে, তার একাংশ ভেঙে যায়। পুরো বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe