Suvendu PA Murder Investigation Update: মোদী সরকারের ‘ডিজিটাল’ সিদ্ধান্তই ধরিয়ে দেবে শুভেন্দুর PA-র খুনিদের? মিলল ‘ক্লু’
Suvendu PA Murder Investigation Update: নরেন্দ্র মোদী সরকারের ‘ডিজিটাল’ সিদ্ধান্তই ধরিয়ে দেবে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনিদের? মিলল ‘ক্লু’। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
Suvendu PA Murder Investigation Update: ফাস্ট্যাগের পেমেন্টের লিঙ্কই কি শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক খুনে সেই ‘ক্লু’ হয়ে দাঁড়াবে? সেটার উত্তর ভবিষ্যতে মিলবে। তবে বালি টোলপ্লাজায় ফাস্ট্যাগের পেমেন্টের ইউপিআই পেমেন্টের লিঙ্কই এখন পুলিশের তুরুপের তাস হয়ে উঠতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীরা মনে করছেন, যে গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেটি সম্ভবত ঝাডখণ্ড থেকে আনা হয়েছিল। সেটি যখন বালি টোলপ্লাজা পার যাচ্ছিল, তখন ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে টাকাও দিয়েছিল। আর সেই ইউপিআই পেমেন্টের (এখন জাতীয় সড়কের টোলপ্লাজায় অনলাইন পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার) লিঙ্ক ধরে শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় দোষীদের কাছে পৌঁছাতে চাইছে পুলিশ। আপাতত অবশ্য কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

চন্দ্রনাথকে গুলি করে খুন
গত বুধবার রাতে বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ (আদতে পূর্ব মেদিনীপুরের ছেলে হলেও এখন মধ্যমগ্রামে থাকতেন)। মধ্যমগ্রামে রাত সাড়ে ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে তাঁর গাড়ি থামাতে বাধ্য করে আততায়ীরা। তারপর একেবারে কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হন চন্দ্রনাথ এবং গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। বুদ্ধদেবের চিকিৎসা চলছে।
গাড়ি নিয়ে পুলিশ কী বলেছে?
সেই রাতেই রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা বলেন, ‘আমরা তদন্ত শুরু করে দিয়েছি। আমরা একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছি, যেটিকে অপরাধের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে নম্বর প্লেট বিকৃত করা হয়েছে। যে গাড়ির নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা আসলে শিলিগুড়ির একটি গাড়ির। কিন্তু আসলে এটা বিকৃত করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি কার্তুজ ও লাইভ রাউন্ড বাজেয়াপ্ত করেছি। আমরা যে তথ্য পেয়েছি, সেটা ধরে এগিয়ে চলেছি। আর এই মুহূর্তে আমি শুধু এই তথ্যগুলোই জানাতে পারি।’
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অস্বীকার ঘাসফুলের
তারইমধ্যে বিজেপি অভিযোগ করেছে যে ওই ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত আছে। যদিও তৃণমূলের তরফে বলা হয়, ‘আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গত তিনদিন ধরে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা সংঘটিত নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আরও তিনজন তৃণমূল কর্মীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা। আমরা এই বিষয়ে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্ত করতে হবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


