Suvendu on Howrah-Bally Municipality: প্রায় দেড় দশক পরে ভোট হতে চলেছে হাওড়া পুরনিগমে। ২০১৩ সালে শেষবার ভোট হয়েছিল হাওড়ায়। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই বছরের মধ্যেই পুরনিগমে ভোটের চেষ্টা করা হবে, যাতে দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কাজ শুরু করতে পারেন। আর যতদিন ভোট না হচ্ছে, ততদিন হাওড়ার সুষ্ঠুভাবে পুর-পরিষেবা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গড়া হয়েছে একটি সমন্বয় কমিটিও। সেইসঙ্গে রেলের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর উপরও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতদিন রেল ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে একাধিক বিষয় নিয়ে টানাপোড়েন চলত। তাতে ইতি টানতে রেলের সঙ্গে বৈঠকে বসা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।
ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস হবে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘হাওড়া শহরের প্রাথমিক চাহিদাগুলো পূরণ করে লংটার্মে (দীর্ঘকালীন মেয়াদে) হাওড়াকে আরও বিকশিত নগরী তৈরি করা, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব এই বছরের মধ্যে নির্বাচিত পুরনিগমের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত আজকের বৈঠকে নিয়েছি আমরা।’
ডিসেম্বরের মধ্যেই হাওড়া ও বালিতে নির্বাচিত প্রতিনিধি
সেই বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি সম্পন্ন হলে গণতান্ত্রিকভাবে ভোট করিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে হাওড়া এবং বালি পুরসভার দায়িত্ব নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে আশা করা হবে।
পরিষেবা দেন না, কিন্তু বেতন তোলেন, সতর্ক করলেন শুভেন্দু
{{/usCountry}}পরিষেবা দেন না, কিন্তু বেতন তোলেন, সতর্ক করলেন শুভেন্দু
{{/usCountry}}তারইমধ্যে আজ হাওড়া পুরনিগমের কর্মীদের একাংশকে তুমুল ভর্ৎসনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, হাওড়া পুরনিগমে ১,৭০০ জনের কর্মী আছেন। তাঁদের মধ্যে কমপক্ষে ৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে। রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশীর্বাদে চাকরি পেয়েছেন। কিন্তু তাঁরা কার্যত কাজ করেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, ‘তাঁরা পরিষেবা দেন না। আট ঘণ্টা তো দূরের কথা। আট মিনিটও পরিষেবা দেন না। কারণ তাঁরা রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশীর্বাদপুষ্ট।’