CM Suvendu on Taratala: তারাতলা বিপর্যয়ে তৃণমূল আমলের নির্মাণ অনুমোদন নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু, নাম উঠল ফিরহাদ হাকিমের

শুভেন্দুর কথায়, 'কালীকে ধরলেই অনেক তথ্য সামনে আসবে। ওর অনুমোদন ছাড়া কোনও প্ল্যান পাশ হত না।' তবে রাজনৈতিক তরজা ও অভিযোগের মাঝেও উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, কলকাতা পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Published on: Jun 25, 2026, 13:24:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। এই আবহে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল আমলের কলকাতা পুরসভার বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, যে গুদামটি ভেঙে পড়েছে, তার নির্মাণ পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং সেই নথিতে তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ একাধিক পুর আধিকারিকের সই রয়েছে।

Kolkata: West Bengal Chief Minister Suvendu Adhikari, Municipal Affairs Minister Agnimitra Paul and others interacts with the media as they visit injured persons at SSKM Hospital, in Kolkata, West Bengal, Wednesday, June 24, 2026. At least four people died and 17 others were hospitalised after a three-storey under-construction warehouse in the Taratala area of west Kolkata collapsed on Wednesday afternoon, trapping several people underneath the rubble, a senior West Bengal health department officer said. (PTI Photo) (PTI06_24_2026_000524B) *** Local Caption *** (PTI)
Kolkata: West Bengal Chief Minister Suvendu Adhikari, Municipal Affairs Minister Agnimitra Paul and others interacts with the media as they visit injured persons at SSKM Hospital, in Kolkata, West Bengal, Wednesday, June 24, 2026. At least four people died and 17 others were hospitalised after a three-storey under-construction warehouse in the Taratala area of west Kolkata collapsed on Wednesday afternoon, trapping several people underneath the rubble, a senior West Bengal health department officer said. (PTI Photo) (PTI06_24_2026_000524B) *** Local Caption *** (PTI)

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'টাকা নিতে নিতে সিটি অফ জয় কলকাতাকে মৃত্যুপুরী বানিয়ে ফেলেছে তৃণমূল সরকার। একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও কোনও শিক্ষা নেওয়া হয়নি। এই ঘটনার জন্য যারা দায়ী, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না।' তিনি জানান, অনুমোদন সংক্রান্ত নথিতে সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার আমিনুর শেখ, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার নির্মলেন্দু সরকার, কার্যনির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার রঞ্জন দাস এবং তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, ঘটনার তদন্তে কোনও রাজনৈতিক রং দেওয়া হবে না। তবে যাঁদের গাফিলতিতে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি কলকাতা পুরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তারাতলা বিপর্যয়ের তদন্তে ইতিমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিধানসভায় জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তদন্তকারীরা নির্মাণে অনিয়ম, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন।

উদ্ধারকাজ নিয়েও তৃণমূল আমলের পুর প্রশাসনকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কলকাতা পুরসভা প্রয়োজনীয় আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম কেনেনি। ফলে দুর্ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সাহায্য নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, 'কোনও অত্যাধুনিক যন্ত্র কেনা হয়নি। সেনাবাহিনীর বিহার রেজিমেন্ট নিজেদের সরঞ্জাম নিয়ে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে।'

এছাড়াও কলকাতা পুরসভায় বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ‘কালী’র প্রভাবেই বহু নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়েছে। তাঁর কথায়, 'কালীকে ধরলেই অনেক তথ্য সামনে আসবে। ওর অনুমোদন ছাড়া কোনও প্ল্যান পাশ হত না।' তবে রাজনৈতিক তরজা ও অভিযোগের মাঝেও উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, কলকাতা পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া বহু মানুষকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More