Bengal and Sikkim Teesta Plan: তিস্তা নিয়ে মেগা পরিকল্পনা বাংলা ও সিকিমের, চলবে বেশি গাড়ি, ভালো হবে যোগাযোগ
Bengal and Sikkim Teesta Plan: তিস্তা নিয়ে মেগা পরিকল্পনা পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের সরকারের। দু'রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তাছাড়াও ট্যাক্সি পারমিট, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়েও আলোচনা হয়েছে তাঁদের।
Bengal and Sikkim Teesta Plan: সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাঙের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার নবান্নে সেই বৈঠকের পরে সিকিম সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই তালিকায় যেমন তিস্তা নদী আছে, তেমনই আছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কও আছে। তাছাড়াও পরিবহণ চুক্তি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বলে সিকিম সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
আরও ভালো হবে উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের যোগাযোগ
শিলিগুড়ির সঙ্গে সিকিমের যোগাযোগ বাড়ানোর জন্যও পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে পড়শি রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে। সিকিম সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সিকিমে নথিভুক্ত গাড়িকে যে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকার পারমিট দেওয়া হয়, সেটার সংখ্যা ৩,০০০ থেকে বাড়িয়ে ৬,০০০ করতে বাজি হয়েছে শুভেন্দু সরকার। অর্থাৎ প্রতিদিন সিকিমের ৬,০০০ গাড়ি পশ্চিমবঙ্গে আসতে পারবে।
তবে পশ্চিমবঙ্গের গাড়ির ক্ষেত্রে সেরকম কিছু হয়েছে কিনা, তা নিয়ে সিকিম সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, সিকিম সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে স্বভাবতই সেই রাজ্যের কথা বলা থাকবে। যদি সিকিমের দ্বিগুণ গাড়িকে পশ্চিমবঙ্গে আসতে দেওয়া হয়, তাহলে নিশ্চয়ই এ রাজ্যেরও সমসংখ্যক গাড়িকে সিকিমে উঠতে দেওয়া হবে। এতদিন সেভাবেই সবকিছু চলেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।
তিস্তা নিয়ে মেগা পরিকল্পনা পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের
সিকিম সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালে যে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছিল, তার জেরে তিস্তা নদী অববাহিকায় প্রচুর পলি জমেছিল এবং ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ করিডরকে সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে তিস্তা নদীতে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পলি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি যৌথভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে উভয় সরকার সম্মত হয়েছে।
সিকিমের রোগীদের জন্য শিলিগুড়িতে বিশেষ উদ্যোগ
শিলিগুড়ির এসএনটি (SNT) কমপ্লেক্সে ‘সুস্বাস্থ্য ভবন সিকিম’ স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই কেন্দ্রে শিলিগুড়িতে চিকিৎসাধীন সিকিমের রোগী ও তাঁদের সঙ্গীদের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। মিলবে প্রয়োজনীয় সহায়তা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দফতরকে এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জারির নির্দেশ দিয়েছেন বলে সিকিম সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


