Dilip on Pakistan and Bangladesh Agents: বাংলায় আছে পাক ও বাংলাদেশের এজেন্ট, ঢুকছে টাকা-পয়সাও, বিস্ফোরক দাবি দিলীপের
Dilip on Pakistan and Bangladesh Agents: পশ্চিমবঙ্গে আছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের এজেন্ট, ঢুকছে টাকা-পয়সাও, বিস্ফোরক দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। কোচবিহার থেকে আইনুল হক নামে একজনের গ্রেফতারির পরে সেই মন্তব্য করেছেন।
Dilip on Pakistan and Bangladesh Agents: চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মিলেছে বাংলাদেশের যোগসূত্রও। আর তারপরই বিস্ফোরক দাবি করলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, ‘সারা ভারতবর্ষে যে ধরনের বিভিন্ন নামে ফুটপাত তৈরি করে অশান্তি করার চেষ্টা চলছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেরকম চেষ্টা হয়েছে। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রচুর টাকা-পয়সা এসেছে, টাকা-পয়সা ঢুকছে। এই ধরনের কিছু এজেন্ট আছে, যারা বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এখানে অশান্তি করার চেষ্টা করছে। তো সরকারের নজর আছে। কাউকে ছাড়া হবে না।’

চোরবাগানে মৃতের নাকি চোখ চুরি, ভুয়ো ভিডিয়ো বানান আইনুল
এমনিতে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কোচবিহারের কোতোয়ালির টাপুরহাট এলাকার বাসিন্দা আইনুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। চোরবাগানে পদপিষ্ট কাণ্ডের পরে আইনুল সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন। তাতে দাবি করেছিলেন যে চোরবাগানে মৃতের নাকি চোখ চুরি হয়ে গিয়েছে। সরাসরি নিশানা করেন নরেন্দ্র মোদী এবং শুভেন্দু অধিকারী সরকারকে।
মমতার আমলের ভিডিয়ো দেখিয়ে ভুয়ো দাবি আইনুলের
আর যে ভিডিয়ো দেখিয়ে সেই ভুয়ো দাবি করেছিলেন মইনুল, তা আদতে ১০ মাস আগের। সেইসময় পশ্চিমবঙ্গের কুর্সিতে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের হাসপাতালের মর্গ থেকে মৃতের চোখ উপড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যা নিয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিচারও চেয়েছিল মৃতের পরিবার। সেইসময় মৃতের আত্মীয় চোখ উপড়ে নেওয়ার যে দাবি করেছিলেন, সেটাকে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনার পরে চালিয়ে দিয়েছিলেন আইনুল।
চাপে পড়ে সাফাই আইনুলের, তাতে লাভ হয়নি
পরবর্তীতে অবশ্য চাপে পড়ে গিয়ে সাফাই দেন কোচবিহারের ব্যক্তি। নতুন করে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে স্বীকার করেন, চোরবাগান সর্বজনীন পুজোয় পদপিষ্টের ঘটনায় মৃতের চোখ চুরির যে অভিযোগ তুলেছিলেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। বাস্তবে এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে স্বীকার করে নেন আইনুল।
বাংলাদেশি যোগসূত্র ও চোরবাগানের ঘটনা
যদিও তাতে কোনও লাভ হয়নি। বরং গুজব ছড়ানোর অভিযোগেই আইনুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আগেও একাধিক ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা আছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বাংলাদেশের কয়েকজনের সঙ্গে আইনুল কথা বলেছেন। মিলেছে সেই কথোকথনের প্রমাণও। আর তারপরই ওই ভুয়ো ভিডিয়ো তৈরি করে ছড়ানো হয়েছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে যে পুরো ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও গোষ্ঠীর কোনও যোগ আছে কিনা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


