TMC Controversy: সাংসদের প্রতি অনাস্থা কালীঘাটের, হাসপাতালের বেডে ছেলের ছবি পাঠাতে হল তৃণমূল নেতাকে
দলীয় বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদকে নাকি নিজের অসুস্থ ছেলের হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকার ছবি পাঠাতে হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলের অভ্যন্তরে অবিশ্বাসের পরিবেশ আরও প্রকট হয়ে উঠেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে চলতে থাকা অস্থিরতার আবহে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়াকে ঘিরে। দলীয় বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তাঁকে নাকি নিজের অসুস্থ ছেলের হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকার ছবি পাঠাতে হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলের অভ্যন্তরে অবিশ্বাসের পরিবেশ আরও প্রকট হয়ে উঠেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তাঁর ছেলের কিডনিতে পাথর ধরা পড়ায় অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁকে রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। অভিযোগ, বৈঠকে অনুপস্থিতির কারণ জানতে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তিনি কোথায় রয়েছেন, তার প্রমাণও চান।
সেই পরিস্থিতিতে ছেলের হাসপাতালে ভর্তি থাকার ছবি পাঠাতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন কোচবিহারের সাংসদ। বিষয়টি নিয়ে তিনি অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ছেলের অসুস্থতার কথা তিনি আগেই দলনেত্রীকে জানিয়েছিলেন এবং সেই কারণেই দিল্লিতে রয়েছেন। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর ছেলের অস্ত্রোপচারও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে সূত্রের খবর, লোকসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। তবে সেই ফোন তিনি ধরেননি বলে জানা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে, কারণ বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূলের একাংশ সাংসদের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির আলোচনা চলছে।
জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া স্পষ্ট জানিয়েছেন, লোকসভায় তৃণমূলের অধিকাংশ সাংসদ যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি সেই পথেই হাঁটবেন। ফলে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যদি সাংসদদের একটি বড় অংশ আলাদা ব্লক গঠনের পথে এগোয়, তাহলে তিনিও সেই শিবিরে থাকতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, তাঁর স্ত্রী তথা বিধায়ক সঙ্গীতা রায় ইতিমধ্যেই বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে স্বাক্ষর করেছেন। ফলে আগামী দিনে কোচবিহারের এই রাজনৈতিক পরিবার কোন অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


