...
...
Next Story

TMC on Modi's attack: লোকসভায় TMC-র মহিলা সাংসদ ৩৮%, BJP-র ১৩%', মোদী আক্রমণ করতেই পালটা মমতার দলের

TMC on Modi's attack: লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা সাংসদ ৩৮ শতাংশ। সেখানে বিজেপির মহিলা সাংসদ ১৩ শতাংশের মতো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আক্রমণ করতেই পালটা দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

Published on: Apr 18, 2026, 23:59:17 IST
Advertisement

TMC on Modi's attack: মহিলা-বিরোধী তকমা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ‘ভ্রূণহত্যা’ করেছে বলেও অভিযোগ তোলেন। আর তারই পালটা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত ১৩১ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে না পারার পরে মোদী যে তৃণমূলকে আক্রমণ শানান, তার পালটা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দাবি বলেন, লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের মোট ২৯ জন সাংসদ আছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জনই মহিলা (৩৮ শতাংশ)। অন্যদিকে বিজেপির যে ২৪০ জন সাংসদ আছেন, তাঁদের মধ্যে মহিলা মাত্র ৩১ জন (১১ শতাংশ)। ফলে মহিলা সংরক্ষণের কথা বিজেপির মুখে মানায় না। আর এটা আদতে মহিলা সংরক্ষণের ব্যাপার ছিল না বলে দাবি করেন চন্দ্রিমা। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী ভেবে নিয়েছেন যে মহিলা বোকা। কিন্তু তিনি ভুলে যাচ্ছেন যে মায়ের গর্ভেই জন্মাতে হয় প্রত্যেককে। তাই মহিলাদের বোকা ভেবে ভুল করছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেও কোনও লাভ হবে না বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিমা।

‘স্বার্থপর রাজনীতির ফল ভুগতে হল নারীশক্তিকে’, দাবি মোদীর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের তরফে সেই মন্তব্য করা হয়েছে মোদীর আক্রমণের পরে। শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে মোদী বলেন, ‘সব মা-বোনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমাদের জন্য দেশের কল্যাণ সবথেকে বড়। কিন্তু কিছু লোকের জন্য দলের কল্যাণ সবকিছু হয়ে যায়, দেশের কল্যাণের থেকে দলের কল্যাণ বেশি বড় হয়, তখন দেশকে এবং নারীশক্তিকে সেটার ফল ভুগতে হয়। কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির স্বার্থপর রাজনীতির ফল ভুগতে হল নারীশক্তিকে।’

আরও পড়ুন: Mamata on Tukde Tukde Gang: BJP আসল ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’, TMC প্রার্থীকে মেরে ফেলতে চায় ওরা, বিস্ফোরক মমতা

বাংলার ভোটের আগে সরাসরি তৃণমূলকে নিশানা মোদীর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে সরাসরি তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়ে মোদী বলেন যে এই বিল পাশ না করার পরে কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টি যেভাবে টেবিল চাপড়াচ্ছিলেন, তা দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছি। মহিলারা সব ভুলে যান। কিন্তু নিজের অপমান কখনও ভুলে যান না। তাই সংসদে কংগ্রেস ও সহযোগীরা যে ব্যবহার করেছে, সেটা দেশের প্রত্যেক মহিলার মনে গেঁথে থাকবে। সেইসঙ্গে তিনি বলেন যে কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলগুলি নারীশক্তির ভ্রূণ হত্যা করে দিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe