...
...
Next Story

TMC Leader on Mamata Banerjee: মমতাকে 'মমতা' বানিয়েছি, এখন তাদের ফেলেই বাড়িতে বৈঠক করছেন, বিস্ফোরক মেয়র পারিষদ

TMC Leader on Mamata Banerjee:মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃণমূল নেতা তথা কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ (নিকাশি) তারক সিং। তিনি আবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করলেন।

Published on: May 27, 2026 03:03 PM IST
Advertisement

TMC Leader on Mamata Banerjee: যত দিন যাচ্ছে, তত তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহের আগুনের তেজ বাড়ছে। এবার সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃণমূল নেতা তথা কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ (নিকাশি) তারক সিং। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন বাংলার সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’ হয়েছেন, সেটার নেপথ্যে তাঁদের মতো হাজার-হাজার কর্মীর অবদান আছে। মমতার লড়াকু ভাবমূর্তি ছিল। লড়াই করে পশ্চিমবঙ্গের কুর্সিতে বসেছিলেন। কিন্তু ১৫ বছরের শাসনের পরে দল যখন হেরে গিয়েছে, তখন কর্মীদের ফেলে দিয়ে নিজের বাড়িতে বৈঠক ডাকছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারক।

শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তারক

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তারক সিং। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক Tarak Singh)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তারক সিং। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক Tarak Singh)

সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ (নিকাশি)। ওই সংবাদমাধ্যমে তিনি দাবি করেছেন, ভোটে হেরে যাওয়ার পরে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো হল রাজনৈতিক দলের কর্তব্য। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তথা তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু কর্মীদের কাছে পৌঁছে যেতেন। রাজ্যের যে প্রান্ত থেকে কর্মীদের উপরে অত্যাচারের ঘটনা সামনে আসত, সেখানেই যেতেন। মিটিং বা মিছিলের অনুমতি দেওয়া হত না। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে এসে বৈঠক করেছেন।

আরও পড়ুন: SIR effect on Indian Citizenship: ভোটার তালিকায় নাম না থাকলেই নাগরিকত্ব হারাবেন? SIR মামলায় রায় সুপ্রিম কোর্টের

টিভিতে বড়-বড় কথা বলত, এখন গায়েব, কটাক্ষ তারকের

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee FIR: 'হিন্দু হিসেবে রিস্ক লাগছিল...', মমতার বিরুদ্ধে দায়ের FIR, বিস্ফোরক আইনজীবী

কলকাতা পুরনিগমে জোড়া ধাক্কা তৃণমূলের

আর তারকের সেই মন্তব্যের মধ্যেই কলকাতা পুরনিগমের পদ ছেড়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেতা সুশান্ত ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী। ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেন সুশান্ত। আর অরূপ ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। আজ তাঁরা কলকাতা পুরনিগমে এসে নিজেদের বাড়তি পদ থেকে ইস্তফা দেন। ১২ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান পদে ছিলেন সুশান্ত। সেই পদ থেকে ইস্তফা দেন। পুরসভার অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্যপদ ছেড়ে দেন অরূপ। তবে তাঁরা দু'জনেই কাউন্সিলর পদে থাকছেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe