Saokat Molla on Mach Chor Song: ভাইরাল 'মাছ চোর' গান নিয়ে আইনি পদক্ষেপের পথে শওকত মোল্লা, তৃণমূল নেতা বললেন…
Saokat Molla: উল্লেখ্য, ক্যানিংয়ের মৌখালির বাসিন্দা শওকত রাজনীতিতে আসার আগে মাছচাষ এবং মাছ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই আবহে গানটিতে শওকতকে 'মৌখালির গাঁজাখোর' বলে আক্রমণ শানানো হয়েছে।
Saokat Molla: ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লাকে নিয়ে 'মাছ চোর' গানটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। এই পরিস্থিতিত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নিজের অসন্তোষের কথা প্রকাশ করেছেন শওকত। এই প্রসঙ্গে এবার আইনি পদক্ষেপ করার বার্তা দিলেন শওকত। তৃণমূল নেতার কথায়, 'নোংরামোর একটা সীমা থাকা উচিত। যারা এসব করেছে, সেটা তাদের নিচু মানসিকতার পরিচয়। রাজনৈতিক লড়াই রাজনৈতিক ময়দানে হওয়া উচিত। ব্যক্তিগত কুৎসা রটিয়ে রাজনৈতিকভাবে জয়ী হওয়া যায় না। আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বিষয়টি নিয়ে খুব শীঘ্রই আইনের দ্বারস্থ হব।'

উল্লেখ্য, ক্যানিংয়ের মৌখালির বাসিন্দা শওকত রাজনীতিতে আসার আগে মাছচাষ এবং মাছ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই আবহে গানটিতে শওকতকে 'মৌখালির গাঁজাখোর' বলে আক্রমণ শানানো হয়েছে। এরই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, শওকত 'মাছ চোর' ছিলেন। সেই গানটি নিয়ে এখন সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে মিমের বন্যা। এই আবহে চরিত্রহননের অভিযোগে গানের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন শওকত মোল্লা।
নির্বাচনের বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল গানটি। ভাঙড়েও তরুণ প্রজন্মের আইএসএফ কর্মীদের এই গানটি বাজিয়ে মিছিল করতে দেখা গিয়েছে। আর সম্প্রতি এই গানটি দল, মত নির্বিশেষে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এই আবহে স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েছেন শওকত মোল্লা।
উল্লেখ্য, এবার ভাঙড়ে তৃণমূল প্রার্থী করেছে শওকত মোল্লাকে। এর আগে শওকত ক্যানিং পূর্ব আসনের প্রার্থী ছিলেন। তাঁর আসন বদল নিয়েও গানটিতে কটাক্ষ রয়েছে। এদিকে শওকতের বিপক্ষে এই আসনে মূল প্রতিপক্ষ হলেন আইএসএফের বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। এমনিতে রাজনৈতিক হিংসার জন্য পরিচিত ভাঙড়ে এবার তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হয়েছে। ভোটগ্রহণ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন শওকত। তবে এবার তাঁকে নিয়ে লেখা এই গানে চড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


