TMC MLA Arup Roy: ছিলেন না মমতার ধর্নায়, প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপকে নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে, অনেকের সঙ্গে চালাচ্ছেন 'আলোচনা'
Ex TMC Minister: প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী বলেন, 'আলোচনা চলছে অনেকের সঙ্গে।' যদিও তিনি স্পষ্ট করে জানান, এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে সব ধরনের সম্ভাবনাই খোলা রয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে।
Ex TMC Minister: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর দলের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সেই আবহেই মধ্য হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের মন্তব্য ঘিরে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনি আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দেন। তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এই আইপ্যাক।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন কর্মসূচিতে অরূপ রায়কে দেখা যায়নি। এই অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি জানান, তাঁকে ডাকা হয়নি এবং তিনিও সেখানে যাননি। এরপর দলবদলের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অরূপ রায় বলেন, 'আলোচনা চলছে অনেকের সঙ্গে।' যদিও তিনি স্পষ্ট করে জানান, এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে সব ধরনের সম্ভাবনাই খোলা রয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে।
এদিন সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল আইপ্যাককে নিয়ে তাঁর আক্রমণ। অরূপ রায়ের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল বাইরের কোনও সংস্থার উপর নির্ভর করে চলতে পারে না। তাঁর দাবি, ২০১১ সালে তৃণমূল যখন ক্ষমতায় আসে, তখন আইপ্যাক ছিল না। সেই সময় দলীয় কর্মসূচি, মিটিং, মিছিল এবং সাংগঠনিক পর্যালোচনার মাধ্যমেই দল এগিয়েছিল। পরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে আইপ্যাকের অনুমতি ছাড়া কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি কার্যত করা যেত না। তাঁর মতে, এর ফলে দলের সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল হয়েছে এবং কর্মীদের সঙ্গে নেতৃত্বের দূরত্ব বেড়েছে।
অরূপ রায় আরও দাবি করেন, নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন কর্মীদের সক্রিয়তা চোখে পড়েনি। পাশাপাশি বর্তমানে বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা আইনি ও প্রশাসনিক সমস্যার মুখে পড়লেও দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এর আগে দলীয় নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়েও প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছিলেন অরূপ রায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, আক্রান্ত নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে দলের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।
অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে “আলোচনা চলছে” মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও তিনি এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছেন, তবু তাঁর বক্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


