TMC Resolution Sign Row: বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের রেজোলিউশনে সই তাঁর নয়, সিআইডি অভিযানের পর বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

TMC Resolution Sign Row: রেজোলিউশনে সই বিতর্কে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষদের বাড়িতে যান সিআইডি কর্তারা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের বাড়িতেও গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা। এর মধ্যে বাহারুল দাবি করেছেন, রেজোলিউশনে সই তাঁর নয়।

Published on: May 29, 2026, 08:24:37 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

TMC Resolution Sign Row: ২৮ মে দুপুর নাগাদ একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আচমকা পৌঁছে যায় রাজ্য পুলিশের সিআইডি দল। এই ঘটনাকে ঘিরে বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত একটি রেজোলিউশনে করা স্বাক্ষর নিয়ে বিতর্কের জেরেই এই তদন্ত শুরু হয়েছে। এই আবহে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষদের বাড়িতে যান সিআইডি কর্তারা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের বাড়িতেও গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা। এর মধ্যে বাহারুল দাবি করেছেন, রেজোলিউশনে সই তাঁর নয়।

২৮ মে দুপুর নাগাদ একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আচমকা পৌঁছে যায় রাজ্য পুলিশের সিআইডি দল।
২৮ মে দুপুর নাগাদ একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আচমকা পৌঁছে যায় রাজ্য পুলিশের সিআইডি দল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৩টে নাগাদ সিআইডির একটি দল চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছয়। জানা যায়, ওই রেজোলিউশনে থাকা স্বাক্ষর আদৌ নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের কি না, তা খতিয়ে দেখতেই তদন্তকারীরা সেখানে যান। এই ঘটনায় বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরে সেই মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, সিআইডির ছয় সদস্যের দলে হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকারীরা এদিন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যান কার্ডও পরীক্ষা করে দেখেন। গোটা ঘটনাকে 'শকিং' বলে বর্ণনা করেছেন তৃণমূলের এই বিধায়ক। নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ৬ মে বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই সময় দলের তরফে একটি ফর্ম্যাট তৈরি করা হয় এবং সেখানে তিনি সই করেছিলেন। তাঁর দাবি, তিনি স্বাক্ষরের বদলে বড় হাতের অক্ষরে নিজের নাম লিখেছিলেন। বর্তমানে যে কাগজ নিয়ে তদন্ত চলছে, সেটি তাঁরই হাতের লেখা বলেও তিনি দাবি করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে প্রথমবার বিধায়ক হওয়ার পর থেকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে কখনও হতে হয়নি। পাঁচবারের বিধায়ক হিসেবে এই অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে অত্যন্ত অস্বস্তিকর বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি বিষয়টি তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েছেন বলেও জানান। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুরো বিষয়টি জানানো হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে তৃণমূল বিধায়ক বাহারুল আবার বলেন, '৬ মে (যেদিন রেজোলিউশন সই হয়) আমি বাড়ি থেকেই বের হইনি। তাহলে আমার সইটা কি ভূতে করল?' প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতার নাম স্থির করে সম্মতি স্বরূপ সব বিধায়কদের স্বাক্ষর নিয়ে একটি রেজোলিউশন জমা দিতে হয় বিধানসভায়। সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেই রেজোলিউশন বিধানসভার স্পিকার গ্রহণ করলে তবেই বিরোধী দলনেতা তাঁর মর্যাদা পান বিধানসভায়। তবে তৃণমূলের জমা করা রেজোলিউশন ঘিরে শুরু হয় জটিলতা। এই আবহে এখনও বিরোধী দলনেতার মর্যাদা পাননি শোভনদেব। আর এবার সেটা নিয়ে তদন্তে নেমেছে সিআইডি।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More