TMC Worker's Death: ভোটের ফল প্রকাশ হতেই রাজনৈতিক হিংসা? বেলেঘাটায় উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর রক্তাক্ত মৃতদেহ
মৃত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ পট্টানায়ক। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট। বিশ্বজিতের পরিবার জানায়, ভোট গণনার দিন সারাদিন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। তবে সন্ধ্যা নাগাদ ফোন পেয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি। পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় বাড়ির সামনে থেকে।
২০২৬ সালের নির্বাচন চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক কর্মী খুন হননি। তবে ভোটের ফল প্রকাশের পরই দিকে দিকে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এরই মাঝে এবার এক তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু হল খাস কলকাতায়। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ পট্টানায়ক। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট। বিশ্বজিতের পরিবার জানায়, ভোট গণনার দিন সারাদিন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। তবে সন্ধ্যা নাগাদ ফোন পেয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি। পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় বাড়ির সামনে থেকে। (আরও পড়ুন: বাংলায় CPI-এর থেকে বেশি ভোট পেয়েছে BSP! নোটার কাছে হার CPI(ML) লিবারেশন, ফরওয়ার্ড ব্লকের)

আরও পড়ুন: অসমে খাতা খুলল তৃণমূলের, ভোট শতাংশের নিরিখে অবশ্য হারল নোটার কাছে
রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ একটা ফোন পান বিশ্বজিৎ। এরপর তিনি বেরিয়ে যান বাড়ি থেকে। এরপর থেকে আর তাঁকে ফোনে পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। পরে বাড়ির লোক তাঁকে খুজতে বের হতেই দেখে দরজার সামনে পড়ে বিশ্বজিতের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বিশ্বজিতের ফোন তাঁর পকেটে পাওয়া যায়। সেই ফোনটি ভাঙা ছিল। এই ঘটনায় বেলেঘাটা থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। (আরও পড়ুন: বাম-কংগ্রেস-নোটা-নির্দলদের ভোট কাটাকাটি! ৩ আসনে ১০০০-এর কম ব্যবধানে জয় বিজেপির)
আরও পড়ুন: লাখ ভোটের বেশি ব্যবধানে ১টি আসনে জয়ী BJP, ৯০০০০-এর ফারাক ২টিতে, TMC-র সবচেয়ে বড় জয় মেটিয়াবুরুজে
পরিবার নির্দিষ্ট ভাবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি। তবে তাদের বক্তব্য, যেহেতু তৃণমূলের কর্মী হিসেবে কাজ করতেন বিশ্বজিৎ, তাই এটা রাজনৈতিক খুন বলে দাবি করছেন তারা। এই ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে ভাঙা ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। কার ফোন পেয়ে বিশ্বজিৎ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য বিশ্বজিতের দেহ পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


