Bengal Unrecognised Madrasas Report: বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসার সংখ্যা বেশি, টাকার উৎস নিয়ে তদন্ত?

Bengal Unrecognised Madrasas Report: ১২টি জেলার স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসা নিয়ে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর যে রিপোর্ট তলব করেছিল, তা জমা পড়ল। সূত্রের খবর, ওইসব মাদ্রাসার অর্থের জোগান নিয়ে বিশেষজ্ঞ তদন্তকারী দলকে তদন্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

Published on: Jul 29, 2026, 23:16:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bengal Unrecognised Madrasas Report: স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসা নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে জমা পড়ল রিপোর্ট। সূত্রের খবর, রাজ্যের ১২টি জেলার (কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনা) স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসা নিয়ে যে রিপোর্ট জমা চাওয়া হয়েছিল, তা বুধবার সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের কাছে জমা পড়েছে। কোন মাদ্রাসা কোথা থেকে টাকা পাচ্ছে, অর্থ জোগাড় হচ্ছে কোথা হচ্ছে, তা নিয়ে একেবারে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে রিপোর্টে।

মাদ্রাসা নিয়ে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর যে রিপোর্ট তলব করেছিল, তা জমা পড়ল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে শাকিব আলি/হিন্দুস্তান টাইমস)
মাদ্রাসা নিয়ে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর যে রিপোর্ট তলব করেছিল, তা জমা পড়ল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে শাকিব আলি/হিন্দুস্তান টাইমস)

টাকার জোগানের সূত্র নিয়ে তদন্তের সুপারিশ রিপোর্টে

সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, স্থানীয় স্তর থেকে যেমন এই স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসাগুলি টাকা পায়, তেমনভাবেই অর্থ আসে বিভিন্ন সংগঠন থেকে। সেই পরিস্থিতিতে টাকা আসার সূত্র ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখতে রিপোর্টে বিশেষজ্ঞ এজেন্সিকে নিয়োগ করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন: Howrah E-Scooters Manufacturing Unit: হাওড়ায় ই-স্কুটার কারখানা হচ্ছে! প্রযুক্তি দেবে থাই সংস্থা, লগ্নি ২৫০ কোটি টাকা

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছেই বেশিরভাগ স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসা

সেই রেশ ধরে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে অধিকাংশ স্বীকৃতিবিহীন মাদ্রাসা বা খারিজি (যে মাদ্রাসা বেসরকারি এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই) মাদ্রাসা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত।

আরও পড়ুন: Bengal New Thermal Power Plants: বাংলায় ৩ নয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে, ২টিই পুরুলিয়ায়, ৩০০০০ কোটি টাকার লগ্নির আশা

কী কী খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছিল রিপোর্টে?

সংখ্যালঘু দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়, স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসা ঠিকমতো চালানো হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। ওই মাদ্রাসাগুলিতে ঠিকমতো শিক্ষানীতি মেনে চলা হচ্ছে কিনা, কীভাবে সেগুলি কাজ করছে, সেইসব যাবতীয় বিষয় খুঁটিয়ে দেখা হবে। সর্বোপরি পড়ুয়াদের স্বার্থেই ইনস্পেকশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘু দফতরের তরফে জানানো হয়।

১) সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হল, সেই তথ্য জোগাড় করা হবে।

২) কোথা থেকে টাকা আসছে?

৩) কতজন পড়ুয়া আছে?

৪) শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা কত?

৫) সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা আবাসিক কিনা।

৬) কী কী কোর্স আছে?

৭) সরকারি নিয়ম মেনে কি চলছে?

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More