WB 6th Pay Commission Budget DA Hike: ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা হবে? বাজেটের আগে আশায়-শঙ্কায় রাজ্য সরকারি কর্মীরা
বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ২২ শতাংশ হারে ডিএ পান। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ-র হার ৫৮ শতাংশ। ফলে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ডিএ-র ফারাক দাঁড়িয়েছে ৩৬ শতাংশ।
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্য বিধানসভায় প্রথম বাজেট পেশ করতে চলেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ রাসবিহারীর বাসভবন থেকে বিধানসভার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটকে ঘিরে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে সব কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ।

বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ২২ শতাংশ হারে ডিএ পান। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ-র হার ৫৮ শতাংশ। ফলে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ডিএ-র ফারাক দাঁড়িয়েছে ৩৬ শতাংশ। দীর্ঘদিন ধরেই এই বৈষম্য নিয়ে আন্দোলন করে আসছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। বকেয়া ডিএ-র দাবিও এখনও পুরোপুরি মেটেনি। তাই নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে ডিএ নিয়ে কোনও বড় ঘোষণা হয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মী।
এই প্রসঙ্গে সংগ্রামী যৌথমঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “বর্তমানে যে ৪২ শতাংশ ডিএ বকেয়া রয়েছে, তার বড় অংশ মিটিয়ে দেওয়া হবে বলেই জানানো হয়েছিল। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি ভরসা রয়েছে। আশা করি প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে। বাংলার কর্মীরা ভবিষ্যতে এআইসিপিআই অনুযায়ী মহার্ঘভাতা পাবেন। সেই লক্ষ্যে এগোতে হলে বকেয়া ডিএ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।” তিনি আরও জানান, সরকারি কর্মীরা অধীর আগ্রহে বাজেটের অপেক্ষা করছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই ডিএ ইস্যু রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় বিতর্কের বিষয় ছিল। বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও এখনও বহু কর্মীর হাতে ডিএ-র অর্থ পুরোপুরি পৌঁছয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই আবহেই নির্বাচনী প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা হবে।
গত ৪ মে প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফলে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে। প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করে বিজেপি। এরপর ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয় সরকার। শপথের মাত্র ন’দিনের মাথায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন দেখার, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে ডিএ ও বকেয়া মহার্ঘভাতা নিয়ে কতটা স্বস্তির বার্তা পান রাজ্যের সরকারি কর্মীরা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


