প্রায় দেড় মাস আগে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটের (ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট) সেই ঘোষণার প্রেক্ষিতে আপাতত সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। আর তা নিয়েই প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মনে। তাঁদের বক্তব্য, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী রবিবার বা সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে। অথচ এখনও সপ্তম বেতন কমিশন সংক্রান্ত নোটিফিকেশন জারি করা হল না রাজ্য সরকারের তরফে। সেই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা করতে বলে হবে বলে দাবি তুলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।

'অবিলম্বে সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা করতে হবে'
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘রাজ্য সরকার বাজেট বক্তৃতায় সপ্তম পে কমিশন গঠনের ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত কোনও গেজেট নোটিফিকেশন জারি হল না কেন? শুধু কি আসন্ন ভোটের দিকে তাকিয়ে এই ঘোষণা? তা যদি না হয় তাহলে অবিলম্বে ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্য সরকারকে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে এই ঘোষণার বাস্তব রূপায়ন করতে হবে।’
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: 'মমতা বারবার পৃথিবীতে আসবেন না, তাঁর গান বাঙালির ঘরে-ঘরে বাজবে', দাবি সাহিত্যিকের
ধর্মঘট সফল হয়েছে, দাবি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের
তারইমধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) প্রদান, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার মতো একগুচ্ছ দাবি তুলে আজ ধর্মঘটে নেমেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের দাবি, ধর্মঘট সফল হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি অফিস, স্কুল, প্রশাসনিক ভবনে অনেক কর্মীই কাজে যোগ দেননি বলে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}তারইমধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) প্রদান, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার মতো একগুচ্ছ দাবি তুলে আজ ধর্মঘটে নেমেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের দাবি, ধর্মঘট সফল হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি অফিস, স্কুল, প্রশাসনিক ভবনে অনেক কর্মীই কাজে যোগ দেননি বলে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}ধর্মঘটের মাধ্যমে কোন কোন দাবি তোলা হয়েছে?
আর সেই ধর্মঘটের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবারই নির্দেশিকা জারি করেছিল নবান্ন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যথারীতি ধর্মঘটের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়েছে। অথচ সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া (পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ) মিটিয়ে দেওয়া হল না! সরকারের এই ভূমিকাকে ধিক্কার জানাই। শুক্রবারের ধর্মঘটকে আমরা শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে সমর্থন জানিয়েছি। শিক্ষক, কর্মচারী, চুক্তিভিত্তিক কর্মী এবং বেকারদের স্বার্থে অবিলম্বে রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া-সহ এআইসিপিআই (সর্বভারতীয় মূল্যসূচক) মেনে মহার্ঘ ভাতা প্রদান, সকল শূন্যপদে দুর্নীতিমুক্ত স্থায়ী নিয়োগ, যোগ্যদের সসম্মানে পুনর্বহাল, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সম্মানজনক বেতন, প্রতিহিংসামূলক বদলি প্রত্যাহারের দাবি মেনে নিতে হবে।’