WB Assembly Election Result: '২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি'
নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়কের কথায়, 'আমি নিশ্চিত যে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি। হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও বিজেপির পক্ষে এসেছে।'
বাংলায় ভোট শেষ হওয়ার পরপরই একের পর এক সংস্থার তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়েছিল বুথ ফেরত সমীক্ষা। অধিকাংশ সমীক্ষাতেই দাবি করা হয়, বাংলায় এগিয়ে আছে বিজেপি। এই নিয়ে সম্প্রতি প্রশ্ন করা হয়েছিল বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। আর জবাবে তাঁর অকপট জবাব, 'আমার কোনও বুথ ফেরত সমীক্ষা দেখার প্রয়োজন নেই...'

নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়কের কথায়, 'আমি নিশ্চিত যে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি। হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও বিজেপির পক্ষে এসেছে।' এদিকে গণনা এবং ইভিএম কারচুপি নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগের প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, 'এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।'
এদিকে এবারের বুথ ফেরত সমীক্ষায় কী বলা হচ্ছে? পিপলস পালসের বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, আসন কমলেও পশ্চিমবঙ্গে বড়সড় জয় পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, ১৭৭-১৮৭টি আসনে জিততে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বাকি সবকটি বড় সমীক্ষাতেই এগিয়ে রাখা হয়েছে বিজেপিকে। এবারেও বুথফের সমীক্ষা ফেল করবে নাকি তা মিলে যাবে, তা জানা যাবে ৪ মে।
উল্লেখ্য, অনেক সময়ই এক্সিট পোল মিলে গেলেও অনেক সময়ই তা আবার মেলে না। তবে ২০২১ সালের বুথ ফেরত সমীক্ষা আসল ফলাফলের সঙ্গে মেলেনি। অধিকাংশ সমীক্ষার সারমর্ম ছিল যে তৃণমূল ২০০ পার করতে পারবে না এবং বিজেপি ১০০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে থাকবে। অনেকেই একটি ‘ত্রিশঙ্কু’ বিধানসভার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ২০২১ সালের ২ মে যখন চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল, তখন দেখা গিয়েছিল যে তৃণমূল জিতেছে ২১৩টি আসন। বিজেপি আটকে গিয়েছিল ৭৭-এ।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


