প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে পৌঁছে গেল সিআইডি। বিধানসভার সই জালিয়াতি কান্ডে আজ দুপুরে মমতার বাড়ি লাগোয়া তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে (৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট) আসেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। যে ঠিকানা থেকেই বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি লেখা হয়েছিল। যদিও সেইসময় সেখানে ছিলেন না মমতা বা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের অনুপস্থিতিতে সিআইডির তদন্তকারী অফিসার ও কালীঘাট থানার পুলিশ আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে দেননি তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তী। বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, অভিষেকের নামে চিঠি নিয়ে এসেছেন তাঁরা। কিন্তু অভিষেকই নেই। তাই তদন্তকারীদের ঢুকতে দিতে পারবেন না।
শুভাশিস চক্রবর্তী ও CID অফিসারদের কথোপকথন
মমতার দুয়ারে সিআইডি। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
১) শুভাশিস: যাঁর নামে নোটিশ আছে, তিনি নেই। তাঁর অনুপস্থিতিতে কীভাবে ভিতরে ঢুকতে দেব?
২) সিআইডি আধিকারিকরা: আমরা আইন মেনেই এসেছি। আপনি আইনত বাধা দিতে পারেন না।
৩) শুভাশিস দাবি করেন, তিনি বাধা দিচ্ছেন না। অভিষেকের অনুপস্থিতিতে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে পারেন না।
৪) সিআইডি আধিকারিকরা: এখানে কেউ উপস্থিত আছেন কিনা, সেটা বড় ব্যাপার নয়। পারমিশন নিতে আসিনি, সার্চ করতে এসেছি।
সেই ঘটনার পরে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে শুরু করেন সিআইডি আধিকারিকরা। কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে। তারইমধ্যে মমতার বাড়ি ও তৃণমূল কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ান এবং পুলিশ আধিকারিকদের মোতায়েন করা হয়েছে। মহিলা পুলিশ অফিসাররাও আছেন। সিআইডি সূত্রে খবর, তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হবে। মমতার বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে সূত্রের খবর।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।