WB Assembly Election Exit Poll Update: 'ভয়, এসআইআর ফ্যাক্টর', বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে বড় মন্তব্য সমীক্ষা সংস্থা প্রধানের
WB Exit Poll Update: প্রদীপ গুপ্তা জানান, অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার ছয়জন সমীক্ষক ২৪ দিন পশ্চিমবঙ্গের জেলে কাটিয়েছিলেন জনমত সমীক্ষা চালানোর সময়। তাঁদের অপরাধ ছিল, ভোটারদের কাছে পছন্দের দল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা। তবে পুলিশ অভিযোগ করেছিল, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হতে পারে এই প্রশ্নের কারণে।
WB Exit Poll Update: প্রথম দফার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। আর কয়েকদিনে দ্বিতীয় দফার ভোট সম্পন্ন হবে। তারপরই বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করতে শুরু করবে খবরের চ্যানেলগুলি। এর আগেই অবশ্য তৃণমূল এবং বিজেপি দাবি করতে শুরু করেছে, প্রথম দফাতেই তারা বাংলা জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে। উল্লেখ্য, প্রথম দফার নির্বাচনে গরম সত্ত্বেও রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৯২.৮ শতাংশ। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে যা এক অনন্য নজির। এই আবহে এত ভোটদানের নেপথ্যে কোন রাজনৈতিক দল বেশি লাভবান হবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। চলছে বিশ্লেষণ। এরই সঙ্গে বুথ ফেরত সমীক্ষা তৈরি করা সংস্থাগুলি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নিজেদের। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোট সম্পন্ন হওয়ার আগে পর্যন্ত বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করা যায় না। তবে সমীক্ষা সংস্থা অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার প্রধান ভোটারদের দেখে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বললেন সংবাদ চ্যানেল এনডিটিভিকে।
প্রথম দফার নির্বাচনে গরম সত্ত্বেও রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৯২.৮ শতাংশ। (Shyamal Maitra)
প্রদীপ গুপ্তা এই সাক্ষাৎকারে জানান, অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার ছয়জন সমীক্ষক ২৪ দিন পশ্চিমবঙ্গের জেলে কাটিয়েছিলেন জনমত সমীক্ষা চালানোর সময়। তাঁদের অপরাধ ছিল, ভোটারদের কাছে পছন্দের দল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা। তবে পুলিশ অভিযোগ করেছিল, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হতে পারে এই প্রশ্নের কারণে। এই আবহে অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মন্তব্য করেন, এই ঘটনাটি দেখিয়ে দেয় কেন পশ্চিমবঙ্গ ভারতের বাকি অংশের তুলনায় খুবই আলাদা।
তিনি বলেন, 'বাংলায় মানুষের আসল মন বোঝা খুব কঠিন। এখানে আমরা ১০ জনের সঙ্গে কথা বার চেষ্টা করলে মাত্র ২-৩ জন তাদের আসল মতামত জানান।' তাঁর দাবি, বাংলায় ৬০ শতাংশ মানুষ নিজের মতামত জানাতেই চান না। এবারের নির্বাচনে 'ভয় এবং এসআইআর ফ্যাক্টরে'র কারণে মানুষ নীরব থাকছে বলে দাবি করলেন প্রদীপ গুপ্তা। তিনি বলেন, 'মানুষ জানে না আমরা কারা। এখন ওরা যদি এক্স বা ওয়াই দলের নাম নেয়, তাঁদের মনে আতঙ্ক যে এসআইআরে তাদের নাম কাটা যেতে পারে।'
২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা:
ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
Home/Bengal/WB Assembly Election Exit Poll Update: 'ভয়, এসআইআর ফ্যাক্টর', বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে বড় মন্তব্য সমীক্ষা সংস্থা প্রধানের