WB Govt Employees Latest Update: সরকারি কর্মীদের ‘ডেথ গ্র্যাচুইটির’ নিয়মে পরিবর্তন রাজ্যের, আরও ভাগ হতে পারে টাকা
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের 'ডেথ গ্র্যাচুইটি' সংক্রান্ত নিয়মের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করল নবান্ন। কর্মরত অবস্থায় কোনও রাজ্য সরকারি কর্মচারীর মৃত্যু হলে ডেথ গ্র্যাচুইটির টাকা কারা কারা পাবেন, সেই তালিকা সংশোধন করা হয়েছে।
নমিন'ডেথ গ্র্যাচুইটি' পাওয়ার তালিকায় সৎ সন্তান, বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না মেয়েকেও যুক্ত করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কর্মরত অবস্থায় কোনও রাজ্য সরকারি কর্মচারীর মৃত্যু হলে ডেথ গ্র্যাচুইটির টাকা কারা কারা পাবেন, সেই তালিকা সংশোধন করা হল। তবে সেই বিষয়টি কার্যকর হবে তখনই, যখন সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীর কোনও বৈধ নমিনি থাকবে না। সেক্ষেত্রে পরিবারের সব সদস্যদের মধ্যে সেই নমিনির টাকা ভাগ করে দেওয়া হবে। আর সেই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সৎ সন্তান, বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না মেয়েদেরও।

দীর্ঘদিন ধরেই আবেদন করা হচ্ছিল
নবান্ন সূত্রের খবর, 'ডেথ গ্র্যাচুইটি'-র সুবিধা পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না মেয়ে এবং সৎ সন্তানরা আবেদন করে আসছিলেন। তাঁদেরও পরিবারের তালিকায় যুক্ত করার দাবি তুলেছিলেন। সেই আবহে নিয়ম সংশোধন করা হল। নিয়ম সংশোধনের মাধ্যমে 'ফ্যামিলি'-র (পরিবার) তালিকায় তাঁদেরও যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
নিয়ম চালুর আগে ঘটনায় কী হবে?
সেইসঙ্গে অর্থ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এই নিয়ম সংশোধনের আগে বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না মেয়েদের সংক্রান্ত কোনও মামলা ঝুলে থাকে, তাহলেও নয়া বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতেই সেটির সমাধান করতে হবে। অর্থাৎ এই নয়া নিয়ম জারির আগে কোনও রাজ্য সরকারি কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় মারা গিয়ে থাকলে তাঁর বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না মেয়েরাও 'ডেথ গ্র্যাচুইটি'-র সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন।
‘ডেথ গ্র্যাচুইটি’-র ক্ষেত্রে কারা কারা পরিবার হিসেবে বিবেচিত হবেন?
১) পুরুষ অফিসারদের ক্ষেত্রে স্ত্রী।
২) মহিলা অফিসারদের ক্ষেত্রে স্বামী।
৩) পুত্র (সৎ ছেলেও)।
৪) অবিবাহিত বা বিধবা মেয়ে, বিবাহবিচ্ছিন্না মেয়ে (সৎ মেয়েও)।
৫) ১৮ বছরের কম বয়স্ক ভাইয়েরা, অবিবাহিত বা বিধবা বোনেরা।
৬) বাবা।
৭) মা।
৮) বিবাহিত মেয়েরা।
এই বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে
আর পুরো বিষয়টার ক্ষেত্রে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে।নবান্ন সূত্রে খবর, কোনও রাজ্য সরকারি কর্মচারী চইলে পরিবারের সদস্য কত শতাংশ টাকা পাবেন, সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারেন। এমনকী আত্মীয় না হলেও কাউকে নমিনি করে দিতে পারেন সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারী। সেক্ষেত্রে কর্মরত অবস্থায় ওই রাজ্য সরকারি কর্মচারীর মৃত্যু হলে তাঁর নির্দিষ্ট করা নমিনি নির্দিষ্ট পরিমাণের অর্থের ভাগ পাবেন। বৈধ নমিনি না থাকলেই তখন ফ্যামিলির তালিকা বিবেচিত হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


