...
...
Next Story

Kolkata Ring Road Proposal: কলকাতায় না ঢুকেই কলকাতা পেরিয়ে যাবেন! নয়া রাস্তার প্রস্তাব, রুট কী? হবে ব্রিজও

Kolkata Ring Road Proposal: কলকাতায় রিং রোড তৈরি করা হবে? তেমনই একটি প্রস্তাব দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ভারতের বিভিন্ন শহরে এরকম আউটার রিং রোড আছে। কলকাতায় সেরকমভাবেই হবে? রুট কী হতে পারে?

Published on: Jun 12, 2026, 07:59:48 IST
Advertisement

Kolkata Ring Road Proposal: কলকাতাকে ঘিরে রিং রোড তৈরির প্রস্তাব দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরুর মতো শহরে যেমন আউটার রিং রোড আছে, কলকাতায় সেরকমই একটি তৈরি করার ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। ওই আউটার রিং রোডের ফলে শহরের ভিতরে ঢুকতে হয় না গাড়িকে। স্বভাবতই যানজট অনেকটা কমে যায়। কলকাতার ক্ষেত্রেও রিং রোড তৈরি হলে যাঁরা হাওড়া বা দুই ২৪ পরগনায় যাবেন, তাঁদের মহানগরীর ভিতরে ঢুকতে হবে না। আউটার রিং রোড ধরে কলকাতাকে ‘বাইপাস’ করেই তাঁরা হাওড়া থেকে উত্তর ২৪ পরগনা বা দক্ষিণ ২৪ পরগনা পৌঁছে যেতে পারবেন অথবা উল্টো কাজটাও করতে পারবেন না।

কলকাতার রিং রোড কোন পথে এগিয়ে যাবে?

কলকাতায় ‘রিং রোড’ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে সঞ্চিত খান্না/হিন্দুস্তান টাইমস)
কলকাতায় ‘রিং রোড’ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে সঞ্চিত খান্না/হিন্দুস্তান টাইমস)

যদিও সেই সম্ভাব্য আউটার রিং রোডের রুট কী হবে, তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। পূর্ত দফতরের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আউটার রিং রোডের অংশ হিসেবে হুগলি নদীর উপরে একটি ব্রিজ তৈরি করা হতে পারে। যা বজবজ এবং মহেশতলাকে যুক্ত করবে নিবেদিতা সেতু, পাঁচলা, ডানকুনিকে।

আরও পড়ুন: Kolkata Metro Purple Line Extension: জোকা ছাড়িয়ে আরও ১.৭ কিমি যাবে মেট্রো! ১৪ কিমির লাইন হবে ১৮ কিমি, কতটা ছুটবে?

কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে আমতলা-সব আসবে রিং রোডের আওতায়

সেইসঙ্গে আউটার রিং রোডের মাধ্যমে টাকি রোড, বসিরহাট, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে, বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে, ডায়মন্ড হারবার, গার্ডেনরিচ, আমতলা, বারুইপুর, সোনারপুর, বাসন্তী হাইওয়ের মতো এলাকাকে জুড়ে ফেলা হবে বলে পূর্ত দফতরের আধিকারিককে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে আপাতত কিছু জানানো হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহলের অবশ্য বক্তব্য, কলকাতাকে ঘিরে আউটার রিং রোড তৈরি হয়ে গেলে শহরের যান চলাচল অনেক মসৃণ হবে। এত গাড়ির চাপ কমে যাবে। কম সংখ্যক গাড়ি ঢোকার ফলে কমে যাবে কলকাতার যানজট। সবমিলিয়ে রিং রোড তৈরি হয়ে গেলে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের লাভ হবে। যাঁদের গাড়ি আছে, তাঁরা তো উপকৃত হবেন। যাঁরা গণপরিবহণ ব্যবহার করেন, লাভ হবে তাঁদেরও।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe