Abhishek Banerjee FIR Update: অভিষেকের বিরুদ্ধে FIR দায়ের পুলিশের, মামলা রুজু জামিন অযোগ্য ধারাতেও
Abhishek Banerjee FIR Update: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে দায়ের করা হল এফআইআর। কী কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে?
Abhishek Banerjee FIR Update: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হল। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক একাধিক উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন এক সমাজকর্মী। থানায় দায়ের করেন অভিযোগ। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও হুমকি দিয়েছেন অভিষেক। আর সেইসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাঁচটি ধারায় অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। কয়েকটি ধারা আবার জামিন অযোগ্যও বটে। তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করেননি অভিষেক। আপাতত তৃণমূলের তরফেও মেলেনি কোনও প্রতিক্রিয়া। কিন্তু অভিষেকের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশ আগে কোনও এফআইআর দায়ের করেছে, এমন ঘটনা মনে করতে পারছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আজ বৈঠক তৃণমূলের, হাজির মমতা-অভিষেক
আর এমন একটা সময় সেই ঘটনা ঘটেছে, যখন তৃণমূল প্রবল চাপে আছে। সেই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে দলীয় সংগঠনকে একেবারে নতুন করে চাঙ্গা করার ডাক দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কালীঘাটে নিজের বাসভবনে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে একটি জরুরি পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন তিনি। সেই হাইভোল্টেজ বৈঠক থেকেই দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন নেত্রী। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘যাঁরা দল ছাড়তে চান, তাঁরা সানন্দে চলে যেতে পারেন। কাউকে জোর করে আটকে রাখা হবে না। যাঁরা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই নতুন করে দল গড়ে তুলব।’
মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা তৃণমূলের
শনিবারের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অভিষেক। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে দলের অন্দরে যখন ক্ষোভ, হতাশা এবং দলবদলের জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই এই বৈঠকের ডাক দেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রের খবর, হারের ধাক্কা সামলে প্রার্থীদের মনোবল বাড়াতেই এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
‘দরকারে আমি রং করব’, বার্তা মমতার
বৈঠকে মমতা বলেন, ‘যাঁরা অন্য দলে যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়ে রেখেছেন, তাঁদের যেতে দিন। আমি নতুন করে, নতুন উদ্যমে দল গঠন করব। আর যাঁরা দলের দুঃসময়ে বিশ্বস্তভাবে পাশে থাকছেন, তাদের বলব— এলাকায় এলাকায় যান। ভাঙচুর হওয়া বা বন্ধ থাকা দলীয় কার্যালয়গুলি মেরামত করুন, নতুন করে রং করুন এবং সেগুলির দরজা মানুষের জন্য খুলে দিন। প্রয়োজনে আমি নিজে গিয়েও দলীয় কার্যালয় রং করব। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস কোনও অবস্থাতেই মাথানত করবে না।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


