WB Population Control: পরিবার পরিকল্পনাকে বাধ্যতামূলক করা যায় কি না… বঙ্গে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বার্তা শমীকের
বিজেপি শাসিত বহু রাজ্যেই মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সর্বত্রই সরকারের তরফ থেকে অবশ্য 'জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের' কথাই বলা হয়েছে। কতকটা সেই সুরেই কোনও নির্দিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের উল্লেখ না করেই শমীক বলেন, তিনি আশাবাদী নতুন সরকার রাজ্যের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করবে।
আজ সার্ভাইকাল ক্যানসারের টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যের জনসংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বিজেপি শাসিত বহু রাজ্যেই মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সর্বত্রই সরকারের তরফ থেকে অবশ্য 'জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের' কথাই বলা হয়েছে। কতকটা সেই সুরেই কোনও নির্দিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের উল্লেখ না করেই শমীক বলেন, তিনি আশাবাদী নতুন সরকার রাজ্যের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করবে। এদিকে আজ নিজের বক্তব্যে বানতলায় টিকাকরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে অনিতা দেওয়ানের গণধর্ষণের প্রসঙ্গও টেনে আনেন শমীক।
শমীক বলেন, তিনি আশাবাদী নতুন সরকার রাজ্যের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করবে।
উল্লেখ্য, বিজেপির দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বহু জায়গায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির জেরে জনবিন্যাস পালটে যাচ্ছে ভারতে। পড়শি রাজ্য অসমেও হিমন্তব বিশ্ব শর্মা এই অভিযোগ করে আসছেন বহু বছর ধরে। বাংলাতেও এই নিয়ে বারংবার সরব হয়েছে বিজেপি। আজ টিকাকরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক বলেন, 'যারা সমাজ সচেতক আছেন, তাঁরা যেন সব ধর্মের মানুষকে এই টিকা নেওয়ার জন্য সচেতন করেন। এই সরকার নতুন। নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন। সেটা সরকারের বিষয়, মুখ্যমন্ত্রীর বিষয়। তবে আমি খুবই আশাবাদী, পশ্চিমবঙ্গের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।'
বিজেপি সাংসদ আরও বলেন, 'সুস্থ সামাজিক সমাজে পরিবার পরিকল্পনাকে বাধ্যতামূলক করা যায় কি না, বা সরকার কোনও প্রকল্প চালু করে তা নিয়ে প্রচার চালিয়ে এই জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় কি না, জমির ওপর মানুষের চাপ কমাতে পারি কি না... এই পরিবার পরিকল্পনার মধ্যে দিয়ে, জন্মনিয়ন্ত্রণের মধ্যে দিয়ে আমাদের মহিলাদের আরও বিকাশ ঘটাতে পারি কি না, তাঁদের আর্থসামাজিক ভাবে উন্নত করতে পারি কি না, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।'
২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা:
ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
Home/Bengal/WB Population Control: পরিবার পরিকল্পনাকে বাধ্যতামূলক করা যায় কি না… বঙ্গে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বার্তা শমীকের