6th Pay Commission DA Hike: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য একলাফে ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি, কবে থেকে কার্যকর হবে ৩৮% মহার্ঘ ভাতা?
দীর্ঘদিন ধরে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। সেই আবহে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই নতুন হার কার্যকর হবে বলে তিনি জানান।
রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে তিনি একদিকে যেমন জনপ্রতিনিধিদের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের দাবি মেনে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা (ডিএ) বৃদ্ধির কথাও জানান। এই দুই ঘোষণাই বাজেটের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, রাজ্যের বিধায়কদের এলাকা উন্নয়ন তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা করা হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিটি বিধায়ক এখন নিজের কেন্দ্রের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য আগের তুলনায় ৩০ লক্ষ টাকা বেশি বরাদ্দ পাবেন। রাস্তা, পানীয় জল, নিকাশি, কমিউনিটি অবকাঠামো এবং অন্যান্য স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। সরকারের মতে, এর ফলে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শহরাঞ্চল— সর্বত্র উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে এবং স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে।
তবে বাজেটের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা নিঃসন্দেহে সরকারি কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি। দীর্ঘদিন ধরে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। সেই আবহে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই নতুন হার কার্যকর হবে বলে তিনি জানান।
বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ২২ শতাংশ হারে ডিএ পান। নতুন ঘোষণার ফলে সেই হার বেড়ে ৪২ শতাংশে পৌঁছাবে। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সঙ্গে ডিএ-র ব্যবধানও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ডিএ এবং কেন্দ্র-রাজ্যের বৈষম্য নিয়ে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, এই ঘোষণাকে তার আংশিক সমাধানের পথে বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণার পর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে। যদিও কর্মচারী সংগঠনগুলির একাংশের দাবি, এখনও কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে সম্পূর্ণ সমতা আসেনি এবং বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তবুও নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে এত বড় হারে মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা কর্মীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


