Bengal Polls 2026 Record Voting: পরিবর্তনের ভোটকেও পার ছাব্বিশের! নির্বাচন শেষের ৩ ঘণ্টা আগেই চুরমার ২০১১-র নজির
Bengal Polls 2026 Record Voting: পরিবর্তনের ভোটকেও পার ছাব্বিশের! নির্বাচন শেষের তিন ঘণ্টা আগেই চুরমার ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরিসংখ্যান। এবার কত শতাংশ ভোট পড়ল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে?
Bengal Polls 2026 Record Voting: পরিবর্তনের ‘পরিবর্তন’? নাকি এসআইআর-বিরোধী হাওয়া? কোন অঙ্কে পশ্চিমবঙ্গে দু'দফায় ভোটদানের হার ৯০ শতাংশ ছাপিয়ে গেল, সেটার উত্তর আগামী ৪ মে মিলবে। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত যা ভোটদান হল, তাতে ২০১১ সালের পরিবর্তনের নির্বাচনকেও ছাপিয়ে গেল। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আজ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ৮৯.৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। আরও এক ঘণ্টা ভোটদানের হিসাব পাওয়া যায়নি। সেটা যোগ করা হলে ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশের ঘরে পৌঁছে যেতে পারে। আর প্রথম দফার ভোটেও ৯৩ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল। ফলে সার্বিকভাবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। যা ২০১১ সালের পরিবর্তনের নির্বাচনের থেকে প্রায় নয় শতাংশ বেশি। ২০১১ সালের ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ।

দুপুর ৩ টের সময় রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে
তবে বিকেল পাঁচটার আগেই সেই রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। দুপুর তিনটে পর্যন্ত কমিশনের তরফে যে হিসাব দেওয়া হয়েছিল, তাতেই দেখা গিয়েছিল যে ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটদানের হার ছাপিয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে যা যোগ হচ্ছে, সেটা অত ‘লিড’ বাড়াচ্ছে ২০১১ সালের থেকে। যে নির্বাচনে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
জেলাভিত্তিক দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার (বিকেল ৫ টা পর্যন্ত)
১) পূর্ব বর্ধমান: ৯২.৪৬ শতাংশ।
২) হুগলি: ৯০.৩৪ শতাংশ।
৩) নদিয়া: ৯০.২৮ শতাংশ।
৪) উত্তর ২৪ পরগনা: ৮৯.৭৪ শতাংশ।
৫) দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ৮৯.৫৭ শতাংশ।
৬) হাওড়া: ৮৯.৪৪ শতাংশ।
৭) কলকাতা উত্তর: ৮৭.৭৭ শতাংশ।
৮) কলকাতা দক্ষিণ: ৮৬.১১ শতাংশ।
কী কী কারণে এবার ভোটদানের হার বেশি?
১) বিজেপির দাবি, পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন মানুষ। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনে বীতশ্রদ্ধ হয়ে মানুষ ভোট দিয়েছেন বিজেপির পক্ষে।
২) তৃণমূলের দাবি, এসআইআরের মাধ্যমে যে হেনস্থা এবং অত্যাচার করা হয়েছে, তারই জবাব ইভিএমে দিয়েছেন মানুষ।
৩) রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এসআইআরের ফলে প্রায় ৯১ লাখ নাম বাদ পড়েছে ভোটার তালিকা থেকে। ফলে ভোটদানের হার বৃদ্ধি পাওয়ার কথাই ছিল। তাছাড়াও অনেকে এমন আছেন, যাঁরা বাইরের রাজ্য থেকে প্রচুর টাকা খরচ করে এসেও ভোট দিয়েছেন। তাঁরা হয়তো সবসময় আসতেন না। এবার তাঁরা এসআইআর-আতঙ্কে এসেছেন নাকি পরিবর্তনের ভোটের জন্য এসেছেন, সেটা বোঝা যাবে আগামী ৪ মে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


