KMC Notice: কলকাতা পুর বোর্ড কেন ভেঙে দেওয়া হবে না? ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চাইল রাজ্য, গেল নোটিস
কেন কলকাতা পুরসভাকে ভেঙে দেওয়া হবে না? ৩ দিনের মধ্যে এই প্রশ্নের জবাব চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ফিরহাদ হাকিম সদ্য মেয়র পদ থেকে দিয়েছেন ইস্তফা। এরপরই কলকাতা পুরসভার কাছে গেল রাজ্যের নোটিস। জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন কলকাতা পুরসভাকে ভেঙে দেওয়া হবে না? ৩ দিনের মধ্যে এই প্রশ্নের জবাব চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, নোটিস জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। নোটিস জারির তিন দিনের মধ্যে পুরসভাকে লিখিত জবাব দিতে হবে, বলে জানানো হয়েছে। কলকাতা পুরসভার কমিশনার, পুরসচিব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে নোটিসের কপি। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম। এরপর সেই পদে কাউকে বসায়নি তৃণমূলের নেতৃত্ব। এদিকে, তৃণমূলের পরিষদীয় দল ঘিরে একাধিক চর্চা শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসাবে স্পিকারের থেকে স্বীকৃতি পেয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, তার আগে, তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। ওদিকে, ঋতব্রত আজই এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন তাঁর পক্ষে রয়েছেন দলের ৬২ জন বিধায়ক। সেই সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের একাধিক নেতা নেত্রী বেসুরো হতে আরম্ভ করেছেন। বহু জায়গায় পুরবোর্ডে থাকা তৃণমূল সদস্যরা পদত্যাগ করেছেন। বহু জায়গায় কাউন্সিলর থেকে শুরু করে একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছে। এই পর্বের মাঝেই আসে ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফা।
মেয়রের ইস্তফার পরে কলকাতা পুরসভাকে নোটিস পাঠায় রাজ্য সরকার। তাতে বলা হয়, সংবিধান এবং ১৯৮০ সালের কলকাতা পুরসভা আইন অনুসারে, পুরসভার উপরে যে দায়িত্ব রয়েছে, তা পালনে সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নোটিসে উঠে আসে ১৯৮০-এর ১১৭(১) ধারার প্রসঙ্গও। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে ঠিক কী ঘটতে চলেছে। আপাতত পুরসভার তরফে কী উত্তর আসে, সেদিকে তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


