WB Police on Hijli Sharif Fire: হিজলি শরিফে শর্ট সার্কিটে আগুন, অভিষেকের ভোট হিংসার দাবি ওড়াল পুলিশ
হিজলি শরিফে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। এর আগে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, বিজেপিই নাকি সেখানে ভাঙচুর করেছে এবং আগুন জ্বালিয়েছে দোকানে দোকানে।
পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির নিচকসবা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হিজলি শরিফে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল সম্প্রতি। সেই ঘটনা বিজেপি ঘটিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছিলেন, বিজেপিই নাকি সেখানে ভাঙচুর করেছে এবং আগুন জ্বালিয়েছে দোকানে দোকানে। এদিকে বাংলাদেশে আবার সেই ভিডিয়োতে দাবি করা হয়েছে, বিজেপি নাকি মুসলিম ব্যক্তিদের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই দুটো দাবিই মিথ্যা বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। (আরও পড়ুন: 'পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে জুড়তে হবে', দিল্লির বুকে কালেমার পাতাকা ওড়ানোর স্বপ্ন ইসলামি ঐক্য জোটের)

আরও পড়ুন: এপারে ৪৫ দিনের মধ্যে কাঁটাতারের জমি পাবে বিএসএফ, সীমান্ত নিয়ে কী বলল বাংলাদেশ?
এর আগে হিজলি নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, 'এভাবেই কি ‘ভয়’কে তাড়ানোর পরিকল্পনা? বাংলাকে জ্বালিয়ে দিয়ে?' তৃণমূল সাংসদ দাবি করেন, খেজুরির হিজলি শরিফ এলাকায় যা ঘটেছে তা নৃশংসতার চরম উদাহরণ। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় হামলা চালিয়ে ৬০টিরও বেশি দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি বলেন, এই হামলায় হিন্দু বা মুসলিম— কোনও সম্প্রদায়কেই আলাদা করে টার্গেট করা হয়নি। বরং এটি ছিল বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং শান্তিতে বসবাস করতে চাওয়া সাধারণ মানুষের উপর পরিকল্পিত আঘাত। এদিকে বাংলাদেশে আবার এই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে মৌলবাদীরা দাবি করে, মুসলিমদের ২৬টি দোকান পুড়িয়ে দেয় বিজেপি। তবে অভিষেকের মিথ্যাচারের পর্দা ফাঁস করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। (আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফলের প্রভাব পড়বে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে? কী বলল ঢাকা)
আরও পড়ুন: 'সেভেন সিস্টার্স স্বাধীন করতে পারি আমরা… বাংলাদেশ জেগে উঠলে ছিন্নভিন্ন হবে ভারত'
এই নিয়ে ফেসবুক পোস্ট করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ লেখে, 'পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তালপাটি ঘাট উপকূল থানার অন্তর্গত হিজলি এলাকায় সম্ভাব্য বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে মোট ২৫টি দোকান (যার মধ্যে ১৩টি হিন্দু সম্প্রদায় এবং ১২টি মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্তর্গত) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা আহত হওয়ার খবর নেই। তবে এ বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সহায়তায় জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। অনুগ্রহ করে এই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বা রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে প্রচার করা থেকে বিরত থাকুন।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


