WB Assembly Election 2026: গুড়-বাতাসা অতীত! ভোট দিলেই মিলছে পান-সুপারি-বিড়ি, জনগণের মন পেতে অভিনব কৌশল

WB Assembly Election 2026: জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট দিলেই মিলছে গিফট। জনগণ ভোট দিয়ে বেরোচ্ছেন, আর হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে পান-সুপারি, সঙ্গে বিড়িও। এটাই যেন ভোট দেওয়ার গিফট।

Published on: Apr 23, 2026, 14:34:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

WB Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাংলায় শুরু হয়েছে প্রথম দফার ভোট উৎসব। এদিন রাজ্যের মোট ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। আর এই ভোটের সময় ‘গুড়-বাতাসার দাওয়াই’ কিংবা ‘জল নকুলদানা’ দেওয়ার গল্প নতুন কিছু নয়। কিন্তু ছাব্বিশের ভোটে সত্যি-সত্যিই কে ভোটারদের কী কী খাওয়াল জানেন? জায়গায়-জায়গায় দেখা যাচ্ছে কখনও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কখনও আবার বিজেপি প্রার্থী জায়গায়-জায়গায় ভোটারদের খাওয়াচ্ছেন। কী খাওয়াচ্ছেন জানেন?

জনগণের মন পেতে অভিনব কৌশল (PTI)
জনগণের মন পেতে অভিনব কৌশল (PTI)

জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট দিলেই মিলছে গিফট। জনগণ ভোট দিয়ে বেরোচ্ছেন, আর হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে পান-সুপারি, সঙ্গে বিড়িও। এটাই যেন ভোট দেওয়ার গিফট। ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ধরা পড়েছেন এমনই এক অদ্ভুত ছবি, যা বিতর্কিতও বটে। দক্ষিণ কাঁঠুলিয়া গ্রামের ১৫/১০৫ নম্বর বুথের অদূরে ভোটারদের জন্য এই বিশেষ ‘আপ্যায়ন’-এর আয়োজন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। জানা গিয়েছে, কাঁঠুলিয়া অতিরিক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটগ্রহণ চলছে। এই বুথ থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরত্বে ভোটারদের জন্য পান-সুপারি, বিড়ি ও গরম লাল চায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেকে ভোট দিতে যাওয়ার আগে বা ফেরার পথে অনায়াসেই এই আড্ডায় সামিল হচ্ছেন। কেউ বা পান-সুপারি মুখে দিয়ে তৃপ্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। কেউ আবার ভোট দিয়ে ফেরার পথে লাল চা খাচ্ছেন। এই ছবি এখন রীতিমতো চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেই ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী বুথের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে এই ধরনের আয়োজন নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। বিরোধীদের দাবি, ভোটারদের প্রলুব্ধ করতেই শাসকদলের এই প্রচেষ্টা। যদিও সব কিছুকে ছাপিয়ে এই বিশেষ আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বিষয়টির সমালোচনা করে বলেছেন, এটা নিছক ভোটারদের প্রভাবিত করা ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে মানুষজন এই আয়োজনের যথেষ্ট খুশি। কেননা এই চড়া রোদে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের এক কাপ চা খাওয়ার সৌভাগ্য কজনে দিতে পারে। এই নিয়েই চলছে চর্চা। ভোটের লাইনে দাঁড়ানোর ধকল কাটিয়ে এই ‘আপ্যায়ন’ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে যেমন চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। কমিশনের এই ব্যাপারে নজর পড়ে কিনা, সেটাই দেখার।