Suvendu on Jadavpur University: যাদবপুরে ১০,০০০ কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার পরে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-কে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, কলকাতায় কেন ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান তোলা হবে? কড়া ভাষায় তিনি বলেন, 'আজাদি? কীসের আজাদি চান? হেরোইন খাওয়ার আজাদি? গাঁজা খাওয়ার আজাদি? ড্রাগ নেওয়ার আজাদি? টুকরে টুকরে গ্যাং…।' সেইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্রোন ওড়ানো হবে। কোথায় গাঁজা, ড্রাগ, হেরোইন খাওয়া হচ্ছে, কোথায় পাতা পুড়িয়ে টানা হচ্ছে, সেইসব দেখা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
‘ফ্রি PoK লিখতে হবে', সাফ বার্তা শুভেন্দুর

সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া হলে যে ‘ফ্রি ফ্রি প্যালেস্তাইন’ লেখা আছে, সেটার পরিবর্তে ‘ফ্রি পিওকে (পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর)’ লিখতে হবে। কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার দাবি তুলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে লিখতে হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।
কেন ‘কিষেণজি স্যালুট’ লেখা যাদবপুরে? ক্ষুব্ধ শুভেন্দু
আর এমনিতে সপ্তাহখানেক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি এবং এসএফআইয়ের সংঘর্ষের পর থেকে একাধিকবার কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাঁরা ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান দিচ্ছেন বা স্লোগান লিখছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুক্রবার সকালেই যেমন তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস বিভাগের দেওয়ালে ‘কিষেণজি স্যালুট’ লেখা থাকে বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান ওঠে?
তবে সেই ধারা আর চলবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রবাদী সরকার এসেছে। ‘আবর্জনা’ সাফ করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার যাদবপুরের ‘টুকরে টুকরে’ গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করত না। সমঝোতা করে নিয়েছিল ওই গ্যাংয়ের সঙ্গে। পরিবর্তে নির্বাচনের সময় ‘নো ভোট টু বিজেপি’-র স্লোগান তুলে সেই অংশ প্রচার চালাত বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: RG Kar case: আরজি কর মামলায় নয়া মোড়! সিবিআইয়ের নতুন তদন্ত শেষ করতে ৩ সপ্তাহের কড়া সময়সীমা হাইকোর্টের
যাদবপুরের ৯০% পড়ুয়া দেশপ্রেমিক, দাবি শুভেন্দুর
তিনি অবশ্য এটাও দাবি করেছেন, যাদবপুরের ৯০ শতাংশ পড়ুয়াই রাষ্ট্রবাদী, দেশপ্রেমিক। কিন্তু চে গেভারার গেঞ্জি পরা লোকজন ভয় দেখিয়ে তাঁদের মিছিলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।