...
...
Next Story

নেতাজির নাম ও ছবি রাখতে হবে, তবেই মাসে ৩০০০০ টাকা দেবে রাজ্য, ঘোষণা শুভেন্দুর

নেতাজির নাম ও ছবি রাখতে হবে, তবেই মাসে ৩০,০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার। ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, ওই শর্তপূরণ না করলে মাসিক টাকা মিলবে না। আর কী কী বললেন তিনি?

Published on: Aug 12, 2026, 14:56:50 IST
Advertisement

নেতাজির অপমান নিয়ে যে ‘ক্ষত’ তৈরি হয়েছে, তাতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করলেন শুভেন্দু অধিকারী? বিধায়কদের নিজস্ব অফিস চালানোর জন্য মাসিক ৩০,০০০ টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে যে দুটি শর্ত চাপালেন, তাতে সেই প্রশ্নই উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিজেদের অফিস চালানোর জন্য বিধায়কদের মাসিক ৩০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। তবে সেই টাকা পাওয়ার জন্য দুটি শর্তপূরণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের। ওই অফিসের নাম রাখতে হবে ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবাকেন্দ্র’। সেইসঙ্গে ওই অফিসে ধুতি-পঞ্জাবি পরিহিত নেতাজির একটি ছবি রাখতে হবে। যে ছবি রাজ্য সরকারের তরফেই পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাঁরা সেই শর্তপূরণ করবেন, তাঁরা টাকা পাবেন না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।

মাসিক টাকা পেতে মানতে হবে জোড়া শর্ত

বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী।
বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেছেন, ‘যে বিধায়করা তাঁদের সেবাকেন্দ্র চালু করবেন, সেই সেবাকেন্দ্রের নাম দিতে হবে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবাকেন্দ্র। আর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের থেকে আমরা ধুতি-পঞ্জাবি পরিহিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি ছবি আপনাদের পাঠাব। ওই অফিসে সেটা আপনাদের রাখতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। এই দুটো কাজ যদি করতে পারেন, তাহলে ৩০,০০০ টাকা করে মাসে আপনারা সেবাকেন্দ্র চালানোর জন্য পাবেন।’

আরও পড়ুন: WB Rain Forecast and Red Alert: নিম্নচাপের ‘বিপজ্জনক’ রুটে বাংলার একাংশ! ২ দিন চরম ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি

ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা?

আর তিনি সেই ঘোষণা করেছেন এমন একটা সময়, যখন নেতাজির ‘অপমান’ সত্ত্বেও রাজ্য সরকার সেরকম কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি বারবার নেতাজিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন। আবার বীরভূমে বিজেপি বিধায়কের উপস্থিতিতে নেতাজির নামাঙ্কিত রাস্তার নাম পালটে করে দেওয়া হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে। পুরসভার অনুমোদন ছাড়াই সেই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সেই আবহে মুখ্যমন্ত্রী ‘সেবাকেন্দ্রের’ ক্ষেত্রে নেতাজির নাম ও ছবি রাখার শর্ত চাপালেন। তিনি জানিয়েছেন, বিধায়কদের অফিস বা সেবাকেন্দ্র চালানোর জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। দুটি শর্তপূরণ করলে সেই মর্মে বিধায়কদের প্রতি মাসে ৩০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। অগস্ট থেকেই সেই টাকা মিলবে। বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধনী আনা হবে। অগস্ট থেকে একসঙ্গে টাকা পেয়ে যাবেন বিধায়করা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe