Yuvabharati statue demolished: সরল মমতার নকশা করা 'মুন্ডুহীন' মূর্তি, যুবভারতীর সামনে পড়ে থাকল শুধু পা ও ফুটবল
Yuvabharati statue demolished: যুবভারতীর সামনে থেকে সরানো হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনায় তৈরি হওয়া 'মুন্ডুহীন' মূর্তি। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই সেই মূর্তি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যুবভারতীর সামনে পড়ে থাকল শুধু পা ও ফুটবল।
Yuvabharati statue demolished: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে থেকে সরে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনায় তৈরি হওয়া 'মুন্ডুহীন' মূর্তি। সামনে পড়ে থাকল শুধু পা ও ফুটবল। আর সেটা যে হতে চলেছে, সেটার ইঙ্গিত গত ১৭ মে যুবভারতীতে আইএসএলের (ইন্ডিয়ান সুপার লিগ) ডার্বি দেখতে গিয়ে দেন রাজ্যের নয়া ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। অবশেষে শুক্রবার রাতে যুবভারতীর সামনে ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে হাজির হন কর্মীরা। রাতের অন্ধকারেই মূর্তিটির কোমর থেকে পায়ের মোজার ওপরের অংশ পর্যন্ত সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে একজোড়া মোজা, জুতো এবং ফুটবলের অংশটি এখনও সেখানে আছে। সূত্রের খবর, বাকি অংশও খুব দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে ফেলা হবে।

মমতার ভাবনায় তৈরি হয়েছিল মূর্তি
আর যে মূর্তি সরিয়ে ফেলা হল, তা নিয়ে প্রথম থেকেই বিতর্ক ছিল। ২০১৭ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রাক্কালে সল্টলেক স্টেডিয়ামের সৌন্দর্য্যায়নের অঙ্গ হিসেবে এই মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব চিন্তাভাবনা এবং নকশার ওপর ভিত্তি করেই এই শৈল্পিক কাঠামোটি গড়ে তোলা হয়েছিল। তবে স্থাপনের পর থেকেই ক্রীড়ামহলে এটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল।
প্রথম থেকেই মূর্তি নিয়ে বিতর্ক
অনেকেই বলতেন, মূর্তির গঠনশৈলী ছিল অত্যন্ত অদ্ভুত ও প্রচলিত ধারার বাইরে। ভাস্কর্যে দেখানো হয়েছিল কোমর থেকে পা পর্যন্ত মানুষের শরীরের নিচের অংশ। তার ঠিক ওপরে ছিল বিশ্ববাংলার লোগো। পায়ে দুটি ফুটবল রাখা ছিল। প্রথম থেকেই অনেকের প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন ফুটবলের একটি ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়ামের প্রবেশদ্বারে এরকম ‘অর্থহীন মূর্তি রাখা হবে? যদিও পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস চালিত সরকার এই মূর্তিটি সরানোর পথে হাঁটেনি।
বিদঘুটে মূর্তি, বলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী
যদিও রাজ্যে তৃণমূল সরকারের পতন ও বিজেপির সরকার গঠনের পরই ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, এটি অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিদঘুটে একটি মূর্তি। একটি কাটা পা, আর তার ওপর ফুটবল রাখা হয়েছে। এমন একটা অর্থহীন কাঠামোর স্টেডিয়ামের সামনে কোনও প্রয়োজনই নেই বলে মন্তব্য করেন নিশীথ। সেইসঙ্গে মমতা সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন যে এই অদ্ভুত মূর্তিটি বসানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ দিন বা পতন শুরু হয়ে গিয়েছিল। পুরোপুরি অর্থহীন মূর্তি। এই মূর্তি সরিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান ক্রীড়ামন্ত্রী। সেইমতো শুক্রবার রাতেই বিতর্কিত মূর্তি সরিয়ে দেওয়া হল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


