ICC Women's CWC Semi Equation: বিশ্বকাপে হারের হ্যাটট্রিক, সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়ার সমীকরণ কী ভারতের জন্য?
বর্তমানে পাঁচ ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত (দুটি জয় ও তিনটি পরাজয়)। তারা নিউজিল্যান্ডের সাথে পয়েন্টে সমান, তবে কিউয়িদের নেট রান রেট কম।
চলতি মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বারের মতো পরাজয়ের মুখে পড়েছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। গতকাল ইন্দোরে ২৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অল্পের জন্য ব্যর্থ হয় ব্লু ব্রিগেড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বেশিরভাগটা জুড়ে ভারত সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবে তারপরে হঠাৎ দীপ্তি শর্মা এবং রিচা ঘোষ তাঁদের উইকেট কার্যত ছুড়ে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। এরপরই খেলা ঘুরে যায়। এদিকে এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তবে হরমনপ্রীত কউরদের জন্য এখন ডু-অর-ডাই পরিস্থিতিতে রয়েছে।

বর্তমানে পাঁচ ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত (দুটি জয় ও তিনটি পরাজয়)। তারা নিউজিল্যান্ডের সাথে পয়েন্টে সমান, তবে কিউয়িদের নেট রান রেট কম। এদিকে ইংল্যান্ড ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এর অর্থ, সেমিফাইনালের একটিমাত্র টিকিট বাকি আছে। এই আবহে ভারত কীভাবে সেমিফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করবে? সেমিফাইনাল বার্থের জন্য ভারতের জন্য একাধিক যোগ্যতা পরিস্থিতি রয়েছে। নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিপক্ষে বাকি দুটি ম্যাচ জিতলে ভারত সাত ম্যাচে আট পয়েন্ট অর্জন করবে। তাতে সেমির টিকিট নিশ্চিত হবে অনায়াসে। এই আবহে এখনও সেমিফাইনালে যাওয়ার বিষয়টি নিজেদের হাতে থাকবে হরমনদের।
এদিকে বাকি দুই ম্যাচের একটিতে জিতলে ভারতের যোগ্যতা অর্জনের বিষয়টি নির্ভর করবে নিউজিল্যান্ডের ওপর। ভারত যদি নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায়, তাহলে বাংলাদেশকে হারাতেই হবে যায়, সঙ্গে কিউয়িদের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হারতে হবে। আর ভারতকে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানেও হারাতে হবে। ভারতের আসন্ন ম্যাচটি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কমবেশি একটি ভার্চুয়াল নকআউট ম্যাচ। এদিকে ভারত যদি নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশের কাছে হেরে যায়, তাহলেও কিউয়িদের ইংল্যান্ডের কাছে হারতে হবে। এই আবহে ভাতরের আরও ভালো নেট রান রেট দরকার পড়তে পারে।
এদিকে গতকাল ২৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান করতে সক্ষম হয়। স্মৃতি মন্ধনা (৮৮) এবং হরমনপ্রীত (৭০) সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পরে দীপ্তিও (৫০) ভালো খেলেন। তবে এটি যথেষ্ট ছিল না। রিচা এবং দীপ্তির উইকেটের পতনের পর ভারত দিশাহীন হয়ে পড়ে। শেষের দিকে আমনজ্যোত কউর (১৮*) এবং স্নেহ রানার (১০*) উপর চাপ পড়েছিল। তাঁরা চেষ্টাও করেছিলেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি। এদিকে ইংল্যান্ডের হয়ে হিদার নাইট প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। ভারতের দীপ্তি শর্মা বল হাতে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন।












