Soptodingar Guptodhon BO Day 3: রবিতে সোনাদার এক কোটির মেগা ধামাকা! ৩ দিনে কত আয় আবির-ইশা-অর্জুনের সপ্তডিঙার গুপ্তধনের?
Soptodingar Guptodhon BO Day 3 : বাংলায় সফল ফ্র্য়াঞ্চাইসি ছবির অন্যতম ধ্রুব বন্দ্য়োপাধ্যায়ের গুপ্তধন সিরিজ। চারবছর পর বক্স অফিসে ফিরলেন সোনাদা। শুরুতেই ছক্কা আবিরের। তিন দিনে কত আয় করল ছবি?
চার বছর পর পর্দায় ফেরা সোনাদাকে বাঙালি যে কতটা মিস করছিল, তার প্রমাণ মিলল সপ্তাহের শেষ দিনে। ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত এবং আবীর চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ‘সপ্তডিঙার গুপ্তধন’ প্রথম দু-দিনে যেখানে ১ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা আয় করেছিল, সেখানে রবিবার ছুটির দিনে বক্স অফিসে এক নজিরবিহীন লাফালাফি দেখা গেল। মাত্র একদিনেই কোটি টাকার টিকিট বিক্রি করে বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের সব হিসেবনিকেশ ওলটপালট করে দিল পরিচালক ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের এই ছবি।

রবিবার মাত্র একদিনেই ১ কোটির ওপর ব্যবসা!
Sacnilk-এর সর্বশেষ এবং অফিশিয়াল তথ্য অনুসারে, রবিবার ছুটির আমেজে সপরিবার বাঙালি দর্শক দলে দলে সিনেমা হলে ভিড় জমিয়েছেন। যার ফলস্বরূপ রবিবারেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা আয় করেছে এই ছবি!
তিন দিনের মোট নেট কালেকশন (ওপেনিং উইকএন্ড): ২ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা।
শুক্রবার ৩৯ লক্ষ দিয়ে খাতা খোলার পর শনিবারে আয় হয়েছিল ৭৪ লক্ষ। আর রবিবারে মাত্র একদিনের কালেকশন (১.১৪ কোটি) প্রথম দু-দিনের মোট আয়কেও ছাপিয়ে গেল। ট্রেড অ্যানালিস্টদের মতে, এই গ্রাফ প্রমাণ করে যে সুন্দরবনের লোককথা আর প্রতাপাদিত্যের গুপ্তধনের খোঁজ দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে।
সোনাদা ত্রয়ীর জয়রথ:
সোনাদা, আবীর আর ঝিনুকের এই নতুন অভিযানকে বক্স অফিসে সফল করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছে ‘ফ্যামিলি অডিয়েন্স’। সিনেমা হল মালিকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রবিবারের বেশিরভাগ শো-ই হাউসফুল ছিল এবং সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতেও এই ছবির ধারা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাজেটের কোনো খামতি না রাখা এবং মনসামঙ্গলের নিখুঁত রিসার্চের জন্য দর্শকরাও ছবির প্রশংসা করছেন।
প্রথম উইকএন্ডেই ২ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পকেটে পুরে ‘সপ্তডিঙার গুপ্তধন’ চলতি বছরের অন্যতম সফল বাংলা ছবি হওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল।
কেমন হলো ‘সপ্তডিঙার গুপ্তধন’?
ভিস্যুয়াল ও স্কেলের মাস্টারস্ট্রোক: বাংলা সিনেমায় প্রায়শই বাজেটের খামতির যে অভিযোগ ওঠে, এই ছবিতে তা এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন পরিচালক ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়। যেভাবে মণ্ডপ বা সেটের কারুকার্য করা হয়েছে এবং মূর্তিকে অস্ত্র করে ধাঁধার সমাধান করা হয়েছে, তার জন্য শিল্প নির্দেশক ও চিত্রগ্রাহক আলাদা করে প্রশংসা পাবেন।
ছবিতে সাবপ্লট বা অবান্তর গল্প না থাকায় আখ্যান সোজা গতিতে এগিয়ে যায়। তবে মনসামঙ্গল, চাঁদ সদাগর বা লোককথার সঙ্গে যাঁদের একদমই যোগ নেই, তাঁদের পক্ষে ছবির সব ধাঁধার সঙ্গে তাল মেলানো কিছুটা কঠিন হতে পারে। যে গভীর রিসার্চ ছবিটির জন্য করা হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
সোনাদা হিসেবে আবীর চট্টোপাধ্যায় এককথায় অসাধারণ। চরিত্রের আত্মাটিকে তিনি এতটাই চিনে গেছেন যে এখন আর আলাদা করে তাঁকে অভিনয় করতে হয় না। আবিরলাল হিসেবে অর্জুন চক্রবর্তীও ভালো। পুরনো চরিত্র ‘দশানন’ হিসেবে রজতাভ দত্ত এবং একটি বিশেষ চরিত্রে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিনয় বেশ জুতসই, যদিও চরিত্রগুলি আরও একটু গভীর হতে পারত।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


