স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য নেন বিরতি, কেমন আছেন অমিতাভ? ব্লগে জানালেন নিজেই
অভিনয় হোক অথবা সোশ্যাল মিডিয়া, নতুন প্রজন্মের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেন অমিতাভ বচ্চন। নতুন প্রজন্মের থেকে শিখে নেন ইনস্টাগ্রাম ফেসবুক চালানোর ট্রিক।
অভিনয় হোক অথবা সোশ্যাল মিডিয়া, নতুন প্রজন্মের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেন অমিতাভ বচ্চন। নতুন প্রজন্মের থেকে শিখে নেন ইনস্টাগ্রাম ফেসবুক চালানোর ট্রিক। কিন্তু খুব সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছিলেন অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য শারীরিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে তাই আপাতত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তিনি বিরতি নিতে চান।

তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোষ্টের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, ডাক্তারের পরামর্শের মতো তিনি এখন বিশ্রামে থাকবেন। সকলের থেকে ক্ষমা চেয়ে তিনি লেখেন, ‘এই মুহূর্তে আমাকে কিছুদিন বিশ্রাম নিতে বলা হয়েছে। আমি সবার থেকে ক্ষমা চাইছি। এই মুহূর্তে আমি কিছু লিখতে পারছি না।’
আরও পড়ুন: পুজোর মরসুমেই দ্বিতীয় কন্যাকে দেখালেন দীপিকা, প্রকাশ্যে আনলেন নামও
কিন্তু শুক্রবার অমিতাভ ফের আরো একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন যেখানে তিনি দশেরার শুভেচ্ছা বার্তা জানান সকলকে। নিজের শারীরিক সমস্যা নিয়ে তিনি লেখেন, ‘আরো বিশ্রামের প্রয়োজন। শরীরের সঙ্গে কিভাবে মানিয়ে নেওয়া যায় সেটাই ভাবছি। মানুষের শরীর কতটা অদ্ভুত তা নিয়েও নানা রকম ভাবনা আসছে।’
অভিনেতা লেখেন, ‘সকলকে দশেরার শুভেচ্ছাবার্তা। প্রত্যেকের জীবনে ভালোবাসা এবং পরিপূর্ণতা আসুক। আপাতত বিশ্রাম নিতে এবং সুস্থ হয়ে উঠতে বলা হয়েছে আমাকে। আমাকে যারা ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন তাদের কাছেও আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমার এই বার্তাটি আপাতত উত্তর হিসেবে ধরে নিন। আশা করি পরে আবার কথা হবে।’
আরও পড়ুন: 'উনি মদ খেয়েছেন প্রমাণ করতে পারলে গান গাওয়া ছেড়ে দেব': দলের প্রসঙ্গে মিকা
প্রসঙ্গত, শুক্রবার বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্স এলাকার একটি স্কুলে ইমেইল আসে, যা দেখার পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ওই বার্তায় অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে বোমা রাখা হতে পারে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে অভিনেতার জলসা না প্রতীক্ষা কোন বাড়ি নিয়ে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে সেটা এখনো নিশ্চিত করতে পারেননি তদন্তকারীরা।
খুব সম্প্রতি টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এরপর শাহরুখ খান থেকে সলমন খান প্রত্যেকের নিরাপত্তা দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়। তবে অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে বোমা রাখার হুমকির সঙ্গে আগের ঘটনার কোন যোগাযোগ আছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
E-Paper

