'জয়'-এর হাত ছেড়ে চিরনিদ্রায় 'বীরু' ধর্মেন্দ্র! 'এমন একটা শূন্যতা…', আবেগে ভাসলেন অমিতাভ

১৯৭৫ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ছবি শোলে বর্তমানে সিনে দুনিয়ার কাল্ট ক্লাসিক। ছবিতে প্রানের বন্ধু বীরু জন্য 'গব্বর'-এর সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে শেষে প্রাণ হারায় জয়। তবে বিধাতা বুঝি বাস্তবে তার উল্টোটাই লিখেছিলেন তাই বাস্তবে 'জয়' অমিতাভ বচ্চন হারালেন ‘বীরু’ ধর্মেন্দ্রকে। 

Published on: Nov 25, 2025, 10:17:49 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

১৯৭৫ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ছবি ‘শোলে’ বর্তমানে সিনে দুনিয়ার কাল্ট ক্লাসিক। এই ছবির গল্প, গান তো বটেই তবে সব থেকে বেশি যা দর্শকদের মনে দাগ কেটেছিল তার হল জয়-বীরুর বন্ধুত্ব। ছবিতে প্রানের বন্ধু বীরু জন্য 'গব্বর'-এর সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে শেষে প্রাণ হারায় জয়। তবে বিধাতা বুঝি বাস্তবে তার উল্টোটাই লিখেছিলেন তাই বাস্তবে 'জয়' অমিতাভ বচ্চন হারালেন ‘বীরু’ ধর্মেন্দ্রকে।

'জয়'-এর হাত ছেড়ে চিরনিদ্রায় 'বীরু'! 'এমন একটা শূন্যতা…', আবেগে ভাসলেন অমিতাভ
'জয়'-এর হাত ছেড়ে চিরনিদ্রায় 'বীরু'! 'এমন একটা শূন্যতা…', আবেগে ভাসলেন অমিতাভ

আরও পড়ুন: 'আমার কাছে বাবার মতো…', ধর্মেন্দ্রর প্রয়ানে শাহরুখের আবেগঘন পোস্ট!

বন্ধুর এই প্রয়ান তাঁকে গভীর ভাবে শোকাহত করেছে। তবে 'বীরু'র শেষযাত্রাতেও তাঁর পাশে ছিলেন অভিনেতা। শেষকৃত্যে হাজির হয়েছিলেন শশ্মানে। ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর বহু তারকা নানা পোস্ট শেয়ার করলেও নীরবই ছিলেন বিগবি। তবে এবার তিনি লিখলেন ভ্লগে।

তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে এই ভ্লগটি শেয়ার করেন। পাশাপাশি সেটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও ভাগ করে নেন। অমিতাভ লেখেন, ‘আরও একজন সাহসী কিংবদন্তি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন, ওঁর জায়গা শূন্য করে চলে গিয়েছেন, এমন এক নীরবতা রেখে গেছেন যার প্রতিধ্বনি অসহনীয়।’

আরও পড়ুন: প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই ড্রিম গার্ল হেমাকে বিয়ে করেছিলেন ধর্মেন্দ্র? রইল সেই মাখোমাখো প্রেমের গল্প

তিনি আরও লেখেন, ‘মহানতার প্রতীক ধর্মজি কেবল তাঁর উপস্থিতির জন্যই নয় বিখ্যাত নন, বরং তাঁর বিশাল হৃদয় এবং মনোমুগ্ধকর সরলতার জন্যও পরিচিত। তিনি তাঁর সঙ্গে পাঞ্জাবের গ্রামের সুবাস নিয়ে এসেছিলেন। তাঁর বর্ণাঢ্য কেরিয়ার জুড়ে, এমন একটি শিল্পে যেখানে প্রতি দশকে পরিবর্তন দেখা যায়, তিনি তাঁর শিকরের প্রতি সৎ ছিলেন। সিনেদুনিয়া বদলেছে, কিন্তু তিনি নন। তাঁর হাসি, তাঁর আকর্ষণ এবং তাঁর উষ্ণতা তাঁর চারপাশের সকলের কাছে ছড়িয়ে পড়েছে, এই পেশায় এটা একট বিরল জিনিস।’ অবশেষে, অভিনেতা লিখেছেন, ‘আমাদের চারপাশের বাতাস এখন শূন্য বোধ করছে... এমন একটা শূন্যতা যা সম্ভবত কখনও পূরণ হবে না।

অমিতাভের ভ্লগ
অমিতাভের ভ্লগ

প্রসঙ্গত, অমিতাভ এবং ধর্মেন্দ্র প্রথম একসঙ্গে ১৯৭৪ সালে 'দোস্ত' ছবিতে কাজ করেছিলেন। তারপর ‘চুপকে চুপকে’ এবং ‘শোলে’-এর মতো সুপারহিট ছবিতে তাঁদের জুটি দর্শকদের মন জয় করেছিল। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নায়ক নায়িকাদের জুটি থাকে চর্চায়। কিন্তু সেই চর্চাকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল অমিতাভ-ধর্মেন্দ্র জুটি। পরে তাঁদের একসঙ্গে ‘রাম বলরাম’ এবং ‘হাম কৌন হ্যায়’-এর মতো ছবিতে দেখা গিয়েছিল। সম্প্রতি অমিতাভের নাতি অগস্ত্য নন্দার সঙ্গেও ছবি করেছেন ধর্মেন্দ্র। কিছু দিনের মধ্যে সেই ছবি মুক্তি পাবে।